খুবির ইসিই বিভাগের অনিয়মের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৬, ১৪:১৬
 
অনিয়মের প্রতিবাদে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) বিভাগের চেয়ারম্যান সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ঢাকার সেগুনবাগিচায় ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে এই সংবাদ সম্মেলন করেন বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সেহরীশ খান।
 
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, গত বছরের ৬ আগস্ট তিনি নিয়ম অনুযায়ি ইসিই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেয়ার সময় পূর্ববর্তী বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. মনিরুজ্জামান তার কাছে বিভাগের ব্যাংক একাউন্টের হিসাব, ল্যাবের যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি এবং বিভাগের যাবতীয় নথিপত্র বুঝে দেননি। বিগত দিনে সাবেক বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. মনিরুজ্জামান বিভাগের স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন কোর্সটির পরীক্ষা না নিয়ে মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করে দিয়েছেন। এ বিষয়টির প্রতিবাদ করলে ড. মনিরুজ্জামান তাকে চরমভাবে লান্থিত করেন। এক পর্যায়ে তিনি তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর খুলনার হরিণচানা থানায় একটি জিডি করেন।
 
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ড. মনিরুজ্জামান ইতোপূর্বে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে বিএনপি’র প্যানেলে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। অথচ এখন তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের শিক্ষক মতাদর্শের দাবি করে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ২৭ জুন থেকে শিক্ষার্থীরা তার পদত্যাগ দাবি করে মানববন্ধন কর্মসূচি ও ক্লাশ বর্জন অব্যাহত রাখে। বিষয়টি নিয়ে তিনি চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ, উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফায়েক-উজ-জামান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আহমেদ আহসানুজ্জামান ও বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডীন ড. ইসমত কাদিরের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। এই অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখা হোক যে বিভাগ পরিচালনায় তার কোন অনিয়ম রয়েছে কী-না। তিনি ড. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভাগ পরিচালনায় অনিয়ম তদন্তের দাবি করেন। 
 
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একজন নারী শিক্ষক হিসাবে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করছেন। বিভাগের শিক্ষার্থীদের দিয়ে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঐ শিক্ষকের ইন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভাগে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ক্লাশ বর্জন করেছে। তাকে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক উঠে পড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ করেন।
 
তার অভিযোগ, বিভাগের শিক্ষার্থীদের দিয়ে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হচ্ছে। ঐ শিক্ষকের ইন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভাগে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ক্লাশ বর্জন করেছে। তাকে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক উঠে পড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।