ঝালকাঠিতে ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় দুই ইউনিয়নবাসীর ভোগান্তি

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৬, ০৩:৩৬
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ও বিনয়কাঠি ইউনিয়নের সংযোগ সড়কের পূর্ব আশিয়ার গ্রামে ব্রিজটি (আয়রন-ঢালাই) প্রায় দুই বছর আগে ভেঙে গেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এভাবে থাকলেও মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে চরম দুর্ভোগে রয়েছে দুই ইউনিয়নের ৬ গ্রামের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ।
 
স্থানীয়রা জানান, সেতুর অভাবে কয়েক মিনিটের পথ দীর্ঘক্ষণ ঘুরে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হচ্ছে। যানবাহনের অভাবে ওই এলাকার অসুস্থ রোগীদের সময়মত হাসপাতালে নেয়া যাচ্ছে না। সঠিক সময়ে হাসপাতালে নিতে না পারায় চিকিত্সার অভাবে অনেক রোগীর মৃত্যুরও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
 
তারা আরো জানান, ১৯৯৮ সালে এলজিইডির আওতায় প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনা ও বিনয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব আশিয়ার গ্রামের মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া সল্পব্দ্যা ও সুগল্পব্দার সংযোগ নদী কালিজিরা নদীর  উপরে এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। এতে  দুই ইউনিয়নের মানুষ সড়ক পথে যাতায়াতে সুবিধা হয়। কিন্তু ২ বছর পূর্বে ব্রিজটি আকস্মিক ভেঙ্গে  পড়ে। ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিনয়কাঠি ইউনিয়নের আশিয়ার ও মুড়াশাতা এবং গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালিঘোনাসহ ৫/৬টি গ্রামের মানুষ এ ব্রিজের অভাবে সড়ক পথে যাতায়াত করতে পারছে না। সময়মত স্কুল ও কলেজে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। যে কারণে  সমস্যায় পড়ে অনেকেরই লেখাপড়া বিঘ্ন ঘটছে।
 
বিনয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম জানান, ব্রিজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণের জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করবেন।
 
ঝালকাঠি সদর উপজেলা প্রকৌশলী আরিফ উদ দৌলা বলেন, ‘এখনো ব্রিজটি নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্টিমেট করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠালে আশা করি পরবর্তী প্রকল্পে এ ব্রিজটি অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।’