ঢাকার রাজপথগুলো প্রায় প্রতিদিনই এক-একটি লাশ উপহার দিচ্ছে। একটি লাশের ক্ষত না শুকোতেই আরেকটি লাশের রক্ত আমাদের হূদয় ক্ষতবিক্ষত করছে। তবু টনক নড়ছে না কর্তা-ব্যক্তিদের। শিক্ষার্থী নিহত হলে আন্দোলন হয়, তাই আমরা সবাই জানি। কিন্তু সাধারণ মানুষ দুর্ঘটনায় মারা গেলে সেটা আমরা জানতেও পারি না। সড়কে লাশের এই মিছিল বন্ধ করতে হবে। এখনই সরকারকে এই বিষয়টা নিয়ে ভাবতে হবে—নয়তো একের পর এক মেধাবী ছাত্র, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের লাশ সড়কে পড়তে থাকবে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর আইন প্রণয়ন ও আইনের যথার্থ প্রয়োগ জরুরি। এক্ষেত্রে আইন ভঙ্গকারী যেই হোক না কেন, তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। রাস্তা পারাপারের নিয়ম যেটা থাকবে সেই নিয়মের ব্যত্যয় যে ঘটাবে তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিতে হবে—আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কোনো সদস্যও যেন আইন ভঙ্গ করে পার না পায়। তাহলেই সবার মধ্যে আইন মেনে চলার মানসিকতা আসবে। আর যখন পুলিশ, ট্রাফিক, ড্রাইভার ও হেলপার যথাযথভাবে আইন মানবে আর না মানলে শাস্তির সম্মুখীন হবে তখন সাধারণ মানুষেরও আইন মানার মানসিকতা তৈরি হবে। সুতরাং শৃঙ্খলা ফেরাতে আইনের যথাযথ প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই।
তরিকুল ইসলাম রুবেল
ভিপি, তেজগাঁও কলেজ কেমিস্ট্রি ক্লাব, ঢাকা
