বিজিএমইএকে সদস্যদের কল্যাণে ব্যবহার করার অঙ্গীকার স্বাধীনতা পরিষদের

আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৯, ২১:৪৭

ইত্তেফাক রিপোর্ট

আগামী ৬ এপ্রিল তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র নির্বাচনে বিজয়ী হলে সংগঠনটিকে কেবল সদস্যদের কল্যাণে ব্যবহার করার অঙ্গীকার করেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী স্বাধীনতা পরিষদ প্যানেল। বিশেষত অপেক্ষাকৃত ছোট মূলধনের কারখানা মালিকদের সহযোগিতায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে প্যানেলের পরিচিতি ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন স্বাধীনতা পরিষদের প্যানেল প্রধান জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় নির্বাচিত হলে সদস্যদের জন্য কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে ১২ দফা লক্ষ্যও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে  দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গণে গার্মেন্টস খাতের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা তাদের প্রথম কাজ হবে বলে জানান তিনি।

বিজিএমইএতে ঢাকা চট্টগ্রাম অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৩৫ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ৯ জন নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকা অঞ্চলের বাদবাকি ২৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্যে ৪২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের পর ৩৫ জন পরিচালক ভোটের মাধ্যমে সভাপতি, সহ-সভাপতি নির্বাচিত করবেন।

এ সময় জাহাঙ্গীর আলম কারখানার মালিকদের সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, সংগঠনটিতে গত বছর ইউডি (ইউটিলিটি ডিক্লারেশন বা রপ্তানির বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির ঘোষণা) নিয়েছে মাত্র ১ হাজার ৮শ’ কারখানা। এর মধ্যে ৩শ’ কারখানা রয়েছে, যারা সারা বছরে মাত্র একবার ইউডি নিয়েছে। অনেকে ঠিকমতো শ্রমিকদের বেতন দিতে পারে না। ছোট কারখানা মালিকদের সংখ্যা অনেক বেশি। তাদের ভয়ও বেশি। তাদের জন্যই বিজিএমইএ’র সহযোগিতা বেশি প্রয়োজন। এই প্যানেলের বাইরে সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরাম যৌথভাবে একটি প্যানেল নিয়ে নির্বাচনে নেমেছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদী গ্রুপের প্রধান রুবানা হক। গত জানুয়ারিতে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলতে গিয়ে জাহাঙ্গীর আলম সংগঠনটির আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতার ইস্যুতে কথা বলেছিলেন, যা নিয়ে বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইতে তাকে বিজিএমইএতেও ডাকা হয়। ওই প্রসঙ্গ তুলে নিজের ভুল স্বীকার করে তিনি বলেন, আমি স্বচ্ছ নির্বাচনের কথা বলেছি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বচ্ছ ভোটে যিনিই জয়ী হবেন-তাকে স্বাগত জানাব। আমরা চাই নির্বাচনটা হোক। জয় না হোক, আমাদের ফেলের অভিজ্ঞতাটা অন্তত দেন।

এ সময় স্বাধীনতা পরিষদ প্যানেলের হুমায়ুন রশিদ জনি, মো. দোলোয়ার হোসেন, সাইফুল ইসলাম, হোসেন সাব্বির মাহমুদসহ ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বী উপস্থিত ছিলেন।