বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, 'শোলাকিয়া ও গুলশানে জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের উৎসের সন্ধান পেয়েছি। গুলশান হামলার নেপথ্যে কারা তাদের কয়েকজনের পরিচয় জানতে পেরেছি।'
সোমবার মিরপুর পুলিশ লাইনের স্টাফ কলেজে মাস্টার্স কোর্স চালুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
অবশ্য ‘তদন্তের স্বার্থে’ এখনই সেসব তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইজিপি।
গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জন নিহত হন। পরদিন সকালে সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডে অভিযানে হামলাকারী ৫ জঙ্গিসহ ছয়জন নিহত হন। জিম্মি অবস্থা থেকে উদ্ধার করা হয় ১৩ জনকে।
ওই হামলায় জঙ্গিরা একে-২২ সেমি অটোমেটিক রাইফেল ও নাইন এমএম পিস্তলের পাশাপাশি হাতে তৈরি গ্রেনেড (আইইডি) ও ছুরি-চাপাতির মত ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করেছিল বলে পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
আর গুলশান হামলার এক সপ্তাহের মাথায় ৭ জুলাই ঈদের সকালে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাতের মাঠের কাছে ফের হামলা হয়।
ওই হামলায় নিরাপত্তার চৌকিতে দায়িত্বরত দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন; পরে পুলিশের অভিযানে গোলাগুলির মধ্যে স্থানীয় এক নারীর মৃত্যু হয়, নিহত হন এক সন্দেহভাজন হামলাকারী।
শোলাকিয়ার হামলাতেও পিস্তলের মত অগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি গুলশানের মত একই ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল বলে পরে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ঘটনাস্থলের কাছে একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় চায়নিজ কুড়াল ও চাপাতি।
