ঝিনাইদহের সোনালীপাড়ার জঙ্গি আস্তানা বলে ‘কথিত’ মেসের মালিক অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. কাওসার আলী ও পাশের মসজিদের ইমাম রোকনুজ্জামান ২০ দিন পরমঙ্গলবার সকালে ঝিনাইদহে ফিরে এসেছে।
ঝিনাইদহ র্যাব-৬-এর ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মনির আহমেদ জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শহরের পাগলা কানাই এলাকায় তারা ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় র্যাবের একটি টহল দল তাদের আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসে। বিকালে তাদের ঝিনাইদহ সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে ২০ জনকে হত্যায় অংশ নেয়া, পরে কমান্ডো হামলায় নিহত জঙ্গি নিব্রাস সোনালীপাড়ার মেসে থাকতো। ছবি দেখে স্থানীয় যুবকরা তাকে শনাক্ত করে। সে সাইদ নামে এখানে থাকতো। পরে শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতের পাশে হামলায় অংশ নেয়া আবিরও এ মেসে থাকতো বলে প্রকাশ পায়। পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেও নিহত হয়। নিব্রাস আবিরকে খালাতো ভাই বলে পরিচয় দিত। ঈদের বেশ বেশ কিছুদিন আগে তারা চলে যায়।
বাসার মালিকের স্ত্রী বিলকিস নাহার বলেছিলেন, ঈদের আগের দিন রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক পরিচয়ে কাওসার আলী, তার দুই ছেলে বিনসার আলি ও বেনজির আলি, পাশের মসজিদের ইমাম রোকনুজ্জামান ও হাফেজ সাব্বির হোসেনকে তুলে নিয়ে যায়।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি হরেন্দ্রে নাথ সরকার বলেন, র্যাব দুজনকে থানায় দিয়ে গেছে। আইন অনুযাযী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
