কল্যাণপুরে নিহতদের মধ্যে দুইজন ‘জুবায়ের ও সাব্বিরুল’

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০১৬, ১৪:৪৭
 
রাজধানীর কল্যাণপুরে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর অভিযানে নিহত নয় জঙ্গির মধ্যে তিনজনের পরিচয় মিলেছে। এদের একজন হলেন নোয়াখালীর সুধারাম এলাকার জুবায়ের হোসেন ও অপরজন হলেন চট্টগ্রামের আনেয়ারা এলাকার সাব্বিরুল হক কনক।
 
নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, জুবায়েরের পরিবার দাবি করেছে, তার নাম জুবায়ের হোসেন (২০)। তিনি নোয়াখালী সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। জুবায়েরের বাড়ি নোয়াখালীর পশ্চিম মাইজদী এলাকায়। 
 
জুবায়ের নিখোঁজের বিষয়ে সুধারাম থানায় একটি জিডি করেছিল তারা  পরিবার। বুধবার সকালে জুবায়ের হোসেনের বাবা আবদুল কাইয়ুমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে নোয়াখালীর আলামিন ফ্যাক্টারির গাড়িচালক হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, রমজান শুরুর ১০-১২ দিন আগে তার ছেলে সুধারাম এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনার পর তিনি সুধারাম থানায়একটি জিডি করেন। আজ সকালে পত্রিকায় ছবি দেখে আবদুল কাইয়ুম শনাক্ত করেন যে পত্রিকায় প্রকাশিত নিহত জঙ্গিদের ছবির মধ্যে তার ছেলের চেহারার মিল রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সুধারাম থানা পুলিশের সঙ্গে তধা বলেছি। থানা পুলিশ তাকে ডেকেছে। 
জুবায়েরের পারিবারিক সূত্র জানায়, আবদুল কাইয়ুমের স্ত্রীর নাম আয়রা বেগম। তাদের তিন ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে জুবায়ের সবার বড়।
 
সুধারাম থানার পুলিশ জানিয়েছে, নোয়াখালী সরকারি কলেজে পড়াকালীন জুবায়ের শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল। 
 
চট্টগ্রামের জেলা পুলিশ সুপার জানান, কল্যাণপুরে নিহত নয় জঙ্গির সধ্যে সাব্বিরুল হক কনক নামে একজনের লাশ রয়েছে বলে তার পরিবার পুলিশকে জানিয়েছে। কনকের বাবার নাম আজিজুল হক। বাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানা এলাকায়। কনক চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ছয় মাস আগে থেকে কনক নিখোঁজ ছিল।
 
এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন শাখার উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জানান, লাশ শনাক্তের বিষয়ে আমরা এখনো নিশ্চিত নই।বিষয়টি ডিএনএ টেস্ট ও আরো অন্যান্য পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।