ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, ভূমি ব্যবস্থাপনা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে ফ্যাকাল্টি খুলেছে।'
রাজধানীর তেজগাঁও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে ডিজিটাল ম্যাপ প্রিন্টিং মেশিন সংক্রান্ত ট্রেনিং প্রোগ্রামের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, 'ভূমি সম্পর্কে সকলের ধারণা থাকা প্রয়োজন। এ সম্পর্কে জানা না থাকলে রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত কাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধাদ্বন্দ্বের সৃষ্টি হবে।' মন্ত্রী বলেন, 'ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চাইতে কম সময়ে বাংলাদেশে এর আধুনিকায়ন করা সম্ভব হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।'
এসময় ভূমিমন্ত্রী ডিজিটাল ম্যাপ মুদ্রণ প্রেস এর বোতাম টিপে পাবনা জেলার ডিজিটাল ম্যাপ মুদ্রণ করে এর শুভ উদ্বোধন করেন। এ মেশিন পরিচালনা কার্যক্রম হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণে ৬১ জেলার ১২২ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশ নেন।
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ আবদুল আহাদের সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুয়াল হোসেন, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক (ভূমি রেকর্ড) ফায়েকুজ্জামান চৌধুরী, পরিচালক (জরিপ) আনোয়ার হোসেন, স্ট্র্যাংদেনিং এ্যাকসেস টু প্রপার্টি রাইটস ফর অল সিটিজেনস অব বাংলাদেশ প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক শামসুল আলম, ঢাকা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার আনিছুজ্জামান ও সেটেলমেন্ট অফিসার দিয়ারা (অপারেশন) বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, প্রিন্টিং মেশিনগুলো জেলা সদরগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। ডিজিটাল প্রিন্টিং প্রেস মেশিনে ভূমি রেকর্ড জরিপ অধিদপ্তরে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিদ্যমান মৌজাম্যাপ, শিট সংরক্ষণ, পুন:মুদ্রণ এবং দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত হবে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংরক্ষিত ডিজিটাল ম্যাপ আর্কাইভ হতে ইঙ্কজেট প্লটারের মাধ্যমে ভূমির মালিকরা স্বল্পতম সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মৌজাম্যাপ শিটের মুদ্রণ কপি পাবেন। একেক খতিয়ানের একেকটি ম্যাপ কপি প্রিন্ট পেতে খরচ হিসেবে সরকারি কোষাগারে ৫২০ টাকা জমা দিতে হবে। ম্যাপের সফটওয়্যার জেলা রাজস্ব অফিসে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে থাকবে।
