‘বৈষম্য দূর না করলে সমস্যার সমাধান হবে না’

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৬, ২১:৫৫
বিশ্বে অনিয়ম, বৈষম্য এবং দারিদ্রের কারণে সন্ত্রাস সৃষ্টি হচ্ছে। বিশ্বে একটা চলমান যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। সমাজের বৈষম্য দূর না করলে কোন সমস্যারই সমাধান হবে না।
 
মঙ্গলবার রাজধানীতে ৭১তম হিরোশিমা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আলোচকরা এ সব কথা বলেন।
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপান স্টাডি সেন্টার এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতের  সভাপতিত্বে এবং লেকচারার লোপামুদ্রা মালেকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও জাপান স্টাডি সেন্টারের খণ্ডকালীন শিক্ষক ড. শফিকুজ্জামান এবং সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। এ ছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিতি ছিলেন জাপান স্টাডি সেন্টারের লেকচারার ড. দিলরুবা শারমিন।
IMG0
সভার শুরুতেই ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে নিহত জাপানি নাগরিকদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
 
সভাপতির বক্তব্যে ড. আবুল বারকাত বলেন, ১৯৩৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলেও মূলত ১৯১৭ সালেই পৃথিবীর চিরাচরিত সিস্টেম বদলে গেল। পুঁজিবাদের পরিবর্তে রাশিয়াতে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে গেল। বর্তমান বিশ্বের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে পৃথীবীর এক তৃতীয়াংশ বিজ্ঞানী সমরাস্ত্র গবেষণায় নিয়াজিত। অথচ তাদের মানবকল্যাণে নিয়োজিত থাকার কথা ছিল।
 
ড. শফিকুজ্জামান বলেন, ২য় বিশ্বযুদ্ধের একপেশে ইতিহাস আমরা জেনেছি। এই সময়ে আমেরিকা সকল পক্ষের কাছেই অস্ত্রের বাণিজ্য করেছে।
 
তিনি আরো বলেন, আমরাও (বাংলাদেশ) একধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। বৈষম্যেও মূল কারণই শিক্ষা। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ৩ ভাগে বিভক্ত। মাদ্রাসা এবং ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতির কোন সম্পর্ক নেই।