ক্ষুদিরামের ১০৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে মমতার শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৬, ২০:১৬
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী বাঙ্গালি তরুণ ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। একটি টুইটার পোস্টে তিনি তরুণ বিপ্লবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
 
বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে জন্ম নেয়া ক্ষুদিরাম বসু ছিলেন বিপ্লবী রাজনৈতিক দল যুগান্তরের সদস্য। ১৮৮৯ সালে জন্ম নেয়া এই তরুণ বিপ্লবী মাত্র ১৬ বছর বয়সে ক্ষুদিরাম পুলিশ স্টেশনের কাছে বোমা পুঁতে রাখেন এবং ইংরেজ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করেন। একের পর এক বোমা হামলার দায়ে ৩ বছর পর তাকে আটক করা হয়। ৩০ এপ্রিল ১৯০৮-এ মুজাফফরপুর, বিহারে রাতে সাড়ে আটটায় ইউরোপিয়ান ক্লাবের সামনে বোমা ছুড়ে তিনজনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ক্ষুদিরামের বিচার শুরু হয় ২১ মে ১৯০৮ তারিখে যা আলিপুর বোমা মামলা নামে পরিচিত হয়।
 
বিচারক ছিলেন জনৈক ব্রিটিশ মি. কর্নডফ এবং দুইজন ভারতীয়, লাথুনিপ্রসাদ ও জানকিপ্রসাদ। রায় শোনার পরে ক্ষুদিরামের মুখে হাসি দেখা যায়। তার বয়স ছিল মাত্র ১৯! 
 
১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ভোর ছয়টায় ক্ষুদিরামের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ফাঁসির মঞ্চ ওঠার সময়ে তিনি হাসিখুশি ছিলেন। ক্ষুদিরামকে নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম কবিতা লিখেছিলেন এবং অনেক গানও তখন রচিত হয়েছিল। যেমন বাঁকুড়ার লোককবি পীতাম্বর দাসের লেখা ‘একবার বিদায় দে মা’। তার মৃত্যুর পর ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামে তরুণরা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল। এনডিটিভি।