রাজধানীর বাজারে মুরগির দাম আরো এক দফা বেড়েছে। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ডিমও। এছাড়া স্বস্তি নেই সবজি বাজারেও। তবে পেঁয়াজ, রসুনের দাম কিছুটা কমেছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কাওরানবাজার, শান্তিনগর ও তুরাগ এলাকার নতুন বাজারে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দামের এ চিত্র পাওয়া যায়।
গতকাল বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয় ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। যা আগের সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি। এছাড়া কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে পাকিস্তানি কক জাতের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ টাকায়। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদরের তালিকাতেও দাম বাড়ার কথা বলা হয়েছে।
নতুন বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী সাদ্দাম বলেন, সামনে রমজান ও শবেবরাত রয়েছে। এছাড়া এখন বনভোজনসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হওয়ায় মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এজন্য মুরগির দাম বাড়তি। মুরগির পাশাপাশি দাম বেড়েছে ডিমের। প্রতি হালি ডিমে ২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৪ থেকে ৩৫ টাকায়। তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা ও খাসির মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে স্বল্প আয়ের মানুষ বেশ অস্বস্তিতে পড়েছেন সবজির দাম বাড়ায়। শীত মৌসুমে সবজির দাম কম থাকলেও এখন বেশ চড়া। গতকাল বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির মধ্যে প্রতি কেজি করলা ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বরবটি, ঢেঁড়স ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, সজনে ডাঁটা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা ২০ থেকে ২৫ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া প্রতিটি লাউ আকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়। একমাত্র আলুর দাম কিছুটা কম আছে। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়।
কিছুটা দাম কমেছে পেঁয়াজ, রসুনের। কেজিতে ২ টাকা কমে দেশি পেঁয়াজ ২২ থেকে ২৮ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আমদানিকৃত রসুন কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।
