সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের ব্যবসায়ী মামুন হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সিলেট নগরী। সিলেটের ব্যবসায়ীরা দারুণ ক্ষুব্ধ। সোমবার তারা ১ ঘন্টার ধর্মঘট পালন করেছে। এসময় তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে কোর্ট পয়েন্টে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে তারা ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে। আন্দোলনকারীরা বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে মামুন হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে হরতালসহ কঠোর কর্মসূচিতে যাবেন তারা।
জিন্দাবাজারের এলিগ্যান্ট শপিং মলের ঊদীয়মান ব্যবসায়ী করিম বক্স মামুনকে গত মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ছুরিকাহত করা হয়। দোকানের সামনে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে বাকবিতণ্ডার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় মামুনকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ আগস্ট ভোর রাতে মামুন মারা যায়। তার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লেই শহরের ব্যবসায়ী সমাজ বিক্ষেভে ফেটে পড়ে।
ঐদিন দুপুরে ব্যবসায়ীরা এ হত্যার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে তীব্র নিন্দা জানান এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। কিন্তু হত্যাকারী গ্রেফতার না হওয়ায় সোমবার আবারো ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নামেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা ও মহানগর ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আলহাজ মকন মিয়া।
সমাবেশে অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর আওয়ামিলীগ সাধরণ স¤পাদক আসাদ উদ্দীন আসাদ, মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, সিলেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি রফিক শিকদার, ব্যবসায়ী পাভেল আহমদ, সফিকুর রহামন, গাজী আব্দুল মাহমুদ, কিবরিয়া হোসেন নিঝুম, জাকারিয়া ইমরুল, এহসানুল হক তাহের, মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যান পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুর রকিব শিকদার, মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যান পরিষদের সহসভাপতি মো: আব্দুল মুনিম মল্লিক মুন্না, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল, বৃহত্তর মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমির হোসেন, আল হামরা মার্কেটের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান রিপন, শুকরিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির আহ্বায়ক আলী আহমদ কামাল, সিলেট ব্যবসায়ী স্বার্থ সংরক্ষন পরিষদের সদস্য সচিব এহসানুল হক তাহের, করিম উল্লা মার্কেটের সভাপতি কাওছার আহমদ, মধুবন মার্কেটের সাধারন সম্পাদক আলা মিয়া, সহসাধারন সম্পাদক আব্দুল আহাদ, জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যান পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ আহমদুর রব, মহানগর সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ, সিটি সেন্টারের সাধারন সম্পাদক হোসেন আহমদ, আম্বখানার সাধারণ সম্পাদক গোলজার আহমদ, আম্বরখানার ব্যবসায়ী আব্দুল মুক্তাদির মুক্তা, নেহার মার্কেটের সাধারন সম্পাদক মোঃ আমজাদ আলী, জিন্দাবাজারের মোঃ আনিস, ব্রক্ষময়ীবাজারের সভাপতি আতিকুর রহমান, দরগাহ বাজারের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান দুদু, নিহত মামুনের বাবা আনোয়ার বক্স বুলু, চাচা বাবর বক্স, মহানগর কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রিহাদুল হাসান রুহেল, এলিগ্যান্ট শপিং মলের আহ্বায়ক ফয়জুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গলির সভাপতি মেহদী কাবুল, গোলাম কিবরিয়া মাশুক, মহানগর প্রচার সম্পাদক শাহ টিপু সুলতান, জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া ইমরুল, ব্লু ওয়াটারের সভাপতি সাহেদ আহমদ, আল মার্জানের আহবায়ক মাহমুদুর রউফ দুর্লভ, মিতালীর সভাপতি এটিএম খসরুজ্জামান, মহানগর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মো. সাদিকুর রহমান, জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লায়েক মিয়া, আব্দুস সামাদ তোহেল, নয়াসড়কের সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ প্রমুখ।
ইত্তেফাক/এএন
