নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় ফারজানা আক্তার সুইটি (২১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে স্বামী আলী পাঠান পলাতক রয়েছে।
সোমবার সকালে জেলার উপজেলার বাহেরদিয়া গ্রাম থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবি মেটাতে না পারায় পরিকল্পিতভাবে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়, প্রায় আড়াই বছর আগে শিবপুরের বাহেরদিয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন পাঠানের ছেলে আলী পাঠানের সঙ্গে একই জেলার মনোহরদীর নোয়াদিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে ফারজানা আক্তার সুইটির বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের নয় মাসের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন ফারজানাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিত। কিন্তু ফারজানার পরিবার টাকা দিতে না পারায় প্রায়ই স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার উপর নির্যাতন চালাতো।
ফারজানার বাবা জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, এরই মধ্যে আলী পাঠান আরো একটি বিয়ে করেছেন। যে কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্ধের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে ফারজানাকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হয়।
শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের স্বামীসহ সাত/আটজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএসএমইউ
