বেনাপোলে তনু হত্যা: মূল আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় বাদী

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৬, ১৬:১৬

যশোরের বেনাপোল সীমান্তের বড় আঁচড়া গ্রামে মীর সাহেদ হাসান তনু হত্যা ঘটনায় পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও মূল আসামি আটক হচ্ছে না। হত্যায় জড়িত অন্য দুই আসামি গ্রেফতার হলেও তারা জামিনে রয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে মদিনা বেগম আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। কিন্তু মামলার মূল আসামি এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় বাদী নিহত তনুর মা নার্গিস বেগম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
 
বাদীর অভিযোগ, মামলার মূল আসামি সোবহান ও তার অনুগামীরা মামলা তুলে নিতে তাকে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি এ মামলা তুলে না নিলে তাকেও হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বাদী বেনাপোল পোর্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
 
নার্গিস বেগম আরো অভিযোগ করেন, প্রথম দিকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ আসামি গ্রেফতারে অনীহা প্রকাশ করলে মামলাটি যশোর সিআইডি গ্রহণ করেন। বর্তমান মামলাটি সিআইডিতে থাকলেও কার্যক্রমের কোনো অগ্রগতি হচ্ছেনা।
 
নার্গিস বেগম জানান, চলতি বছরের ২১ মার্চ দুপুরে ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী পটুয়াপাড়া গ্রামের মীর সাহেদ হাসান তনুকে (২৮) বেনাপোল বড় আঁচড়া গ্রামের সোবহানের বাড়িতে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বেনাপোল পোর্ট থানায় চারজনের নাম উল্লেখসহ সাতজনকে আসামি করে করে একটি এজাহার করা হয়। আসামিরা হলেন, গ্রামের সোবহান আলী (৩৫), কবির হোসেন (৩১), সোবহানের স্ত্রী মদিনা বেগম (২৮) ও চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বৃন্দাবনহাটের বিকাশ বড়ুয়াসহ(৪৫) আরো দুই/তিনজন।
 
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি ইন্সপেক্টর হুমায়ুন কবীর জানান, মামলাটির কার্যক্রম চলছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করা হবে। এরই মধ্যে মদিনা বেগম নামে একজন এজাহারভুক্ত আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।