‘বিষাক্ত পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ বন্ধে কঠোর হতে হবে’

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৬, ১৯:৪৭
আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে অধিক মুনাফার লোভে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী গরু মোটা তাজাকরণে বিভিন্ন ক্ষতিকর ঔষধ ব্যবহার করছেন। কৃত্তিম পদ্ধতিতে অস্বাভাবিকভাবে মোটাতাজা এসব গরুর মাংস খাওয়ার ফলে কিডনি, লিভার হৃদপিণ্ডসহ মানব শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় কোরবানির গরু মোটাতাজাকরণের এই পদ্ধতি বন্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
 
শনিবার রাজধানীতে ‘গরু মোটাতাজাকরণ : কোরবানির পবিত্রতা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ দাবি জানান। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এ বৈঠকের আয়োজন করে।
 
পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে বক্তব্য রাখেন পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, সহ-সম্পাদক মো. সেলিম, সদস্য প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ। 
 
মূল বক্তব্যে পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্যবান গরু উৎপাদনের জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত এবং কৃষি বিভাগ অনুমোদিত পদ্ধতি রয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় গরু কাঙ্খিত মোটাতাজা বা হৃষ্টপুষ্ট হতে তিন থেকে ছয় মাস সময় নেয়। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা গরু প্রতি খাবারের খরচ ও সময় কমাতে গরুকে (ছাগলকেও বটে) অতিরিক্ত ইউরিয়া, সিপ্রোহেপ্টাডিন, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ, এ্যানাবলিক স্টেরয়েড, হরমোন ইত্যাদি খায়ানো বা ইনজেকশন দেয়। এতে পশুর শরীরে পানি এবং জলীয় পদার্থ জমে যায়। সাথে চর্বিও জমে। ফলে পশুটিকে দৃশ্যত মোটা দেখাতে থাকে। এটি মূলত: পশুটির একটি রোগাবস্থা মাত্র। এ ধরনের গরুর মাংস খেলে কিডনি, লিভার হৃদপিণ্ডসহ মানব শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই সরকারকে এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। 
 
 
ইত্তেফাক/এমআই