কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের পৈয়াপাথর গ্রামে ধর্ষণের শিকার নয় বছরের শিশুর বাবাকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছে আসামি। এমনকি মামলা প্রত্যাহার না করলে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে আসামির বিরুদ্ধে।
এদিকে ধর্ষণের ঘটনা ও মামলার একমাস পেরিয়ে গেলেও আসামি গ্রেফতার না হওয়ার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ভোক্তভোগীর পরিবার। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।
ওই শিশুর বাবা আবদুল আজিজ অভিযোগ করে বলেন, উত্তর ত্রিশ গ্রামের মৃত তিতু মিয়া মীরের ছেলে বাবুল মীর (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে বেড়ীবাঁধের উপর হলুদ মরিচের ব্যবসা করে আসছিল। ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় আমার মেয়েকে তার দোকানঘরটি ঝাড়ু দেয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে সাটার বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কতব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হলেও আসামি বাবুল মীরকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ। তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।
এদিকে আসামি পক্ষের লোকজন মামলাটি তুলে নিতে আমাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। দিন যত গড়াচ্ছে হুমকির মাত্রা তত বাড়ছে। মামলা তুলে না নিলে আমাকে হত্যার হুমকিও দিচ্ছে আসামিপক্ষ।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।’
ইত্তেফাক/এএসএমইউ
