আড়াইহাজারে রাস্তার পাশে কোরবানির পশুর চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ০১:১৫
আড়াইহাজার-রামচন্দ্রদী সড়কের পাশে স্তুপাকারে রাখা কোরবানির পশুর চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। লবণ লাগানোর পর রাস্তার পাশে রেখে দেওয়া চামড়ায় পচন ধরায় আশ-পাশের দু-তিনটি গ্রামবাসীর দুর্ভোগের সীমা নেই।
 
সাদার দিয়া গ্রামবাসী জানায়, নগরবাসী মিয়া একজন চামড়া ব্যবসায়ী। তিনি প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষকে কষ্ট দেন। কম লবণ দিয়ে চামড়ার স্তুপ করে মেইন রাস্তার পাশে রেখে দেন। এ বছর সময়মতো চামড়া বিক্রি করতে না পারায় পচন ধরেছে। ফলে গ্রামবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই। শুধু গ্রামবাসী নয় পাশের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করছে। সকল মানুষের পচা গন্ধের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
 
চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে দেশি লবণ খুবই প্রয়োজন। কিন্তু দেশি লবণ না পেয়ে ব্যবসায়ীরা ভারতীয় লবণ ব্যবহার করছেন। আর এ লবণের অধিকাংশই রাসায়নিক মিশ্রিত ও ভেজাল। এ লবণ ব্যবহারে চামড়া পচন  রোধে খুব বেশি ফল পাওয়া যায়নি। তাছাড়া গ্রামে অদক্ষ ও মৌসুমি কারিগর দিয়ে চামড়া ছাঁটাই করা হয়। তারা বেশিরভাগ চামড়ার লেজে মাংস রেখে দেন। যদি লেজের চার থেকে ৫ ইঞ্চি রেখে বাকি অংশ কেটে  ফেলে দেওয়া হতো তাহলে এত চামড়া নষ্ট হতো না। গরমের দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে চামড়া প্রক্রিয়াজাত না করলে গুণগতমান হারানোর আশঙ্কা থাকে। তবে শীতের দিনে ১৫ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত চামড়া ভালো থাকে। চলতি বছর কোরবানির সময় আবহাওয়া কিছুটা গরম ছিল। এজন্য যারা স্বল্প সময়ে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে পারেনি তাদেরটা নষ্ট হচ্ছে।
 
এদিকে আড়াইহাজার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
 
 
ইত্তেফাক/এএন