ভারত-পাকিস্তানের মতভিন্নতা দূর করার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ২১:৩৫
কূটনীতির মাধ্যমে পাকিস্তান ও ভারতের মতভিন্নতা দূর করার আহবান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে পাক-ভারত সীমান্তের কাছে পাকিস্তানের বিপুল সংখ্যক সেনা সমাবেশের খবর পাওয়ার পর ভারতীয় বাহিনীও তাদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।
 
কাশ্মিরের উরিতে ভারতীয় সেনা দফতরে সন্ত্রাসী হামলার পর চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে কূটনীতির মাধ্যমে পাকিস্তান ও ভারতের মতভিন্নতা দূর করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে গত মঙ্গলবার এই আহ্বান জানান হয়। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জোশ অর্নেস্ট সাংবাদিকদের বলেন, ‘সহিংসতার মাধ্যম নয়, বরং কূটনীতির মাধ্যমে আমরা ভারত ও পাকিস্তানকে তাদের মতভিন্নতা দূর করার পথ খুঁজতে উৎসাহিত করা অব্যাহত রেখেছি।’
 
পাকিস্তান সর্ম্পকে অর্নেস্ট বলেন, ‘আমরা সহিংসতাকে, বিশেষভাবে সন্ত্রাসী হামলাগুলোর নিন্দা জানাই।’ তবে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
 
এদিকে ভারতের রাজস্থানে পাক-ভারত সীমান্তে পাকিস্তানের বিপুলসংখ্যক সেনা সমাবেশের খবর পাওয়া গেছে। জয়সলমেরের খুব কাছে পাক সেনাবাহিনী এবং বিমানবাহিনী যৌথভাবে এই সমাবেশ করেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, এই জমায়েত হলো স্থলবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর যৌথ মহড়া। সব মিলিয়ে পাক স্থলবাহিনীর প্রায় ১৫ হাজার জওয়ান এখন জয়সলমেরের সীমান্তের ওপারে অবস্থান করছে। এছাড়া বিমান বাহিনীর ৩০০ সদস্য এই মহড়ায় যোগ দিয়েছেন।
 
উরি হামলার পর ভারত-পাক সীমান্তে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, তখন সীমান্তে বড় ধরনের মহড়াকে আয়োজন করাকে বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। পাক বাহিনীর তত্পরতাকে তাই একেবারেই হালকাভাবে নিচ্ছে না ভারত। সীমান্ত থেকে মাত্র ১৫-২০ কিলোমিটার দূরে পাকিস্তানের এই সামরিক জমায়েতের খবর পেয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-কে সতর্ক করা হয়েছে। সীমান্তে দ্রুত শক্তিবৃদ্ধি করছে ভারতীয় বাহিনীও।