মানিকগঞ্জে স্থগিত হওয়া দুই ইউনিয়নে নির্বাচন ৩১ অক্টোবর

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৬, ১৫:৫১
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ও গড়পাড়া ইউনিয়নের স্থগিত হয়ে যাওয়া  নির্বাচন আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। জাগীর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাকির হোসেন ও গড়পাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আফসার উদ্দিন সরকার বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলেও তাদের বিরুদ্ধে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
 
চলতি বছরের  ৮ মে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮ টিতে নির্বাচন হয়। জাগীর ও গড়পাড়া ইউনিয়নে বিএনপি ও স্বতন্ত্র  প্রার্থীরা মনোয়য়নপত্র উত্তোলন ও জমাদানে বাধা দেওয়া,মারধর ও হুমকীর অভিযোগ করেছিলেন। কেউ কেউ প্রধান নির্বাচন কমিশন বরাবরও অভিযোগ করেছিলেন। এসব অভিযোগের  পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে  বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
 
একই সঙ্গে নির্বাচিত মেম্বার মারা যাওয়ায় সদর উপজেলার কৃঞ্চপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড, হরিরামপুর উপজেলার লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং এবং চালা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ৩১ অক্টোবর উপ-নির্বাচন হবে। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপর আড়াই টা পর্যন্ত জাগীর ইউনিয়নে মোট ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন।এরা হচ্ছেন বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন(আওয়ামী লীগ),সেলিম হোসেন(বিএনপি)ও শহিদুল শিকদার(স্বতন্ত্র),এর মধ্যে শহিদুল শিকদার মঙ্গলবার ও বুধবার বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন(আওয়ামী লীগ)তাদের  মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। 
 
অপরদিকে গড়পাড়া ইউনিয়ন মোট ২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন। এরা হচ্ছেন বর্তমান চেয়ারম্যান সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আফসার উদ্দিন  সরকার(আওয়ামী লীগ)ও ওসমান গনি (বিএনপি)। বুধবার আফসার উদ্দিন সরকার(আওয়ামী লীগ) তার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।  এ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র ক্রয় ও দাখিলের শেষ সময় ৬ অক্টোবর। যাচাই- বাছাই ৭ অক্টোবর। প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৪ অক্টোবর ও  ১৫ অক্টোবর প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা  হবে।
 
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন জানান, প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করবেন। প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণ বিধি যথাযথ ভাবে মেনে চলেন সেজন্য মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
 
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন জানান,পুলিশের পক্ষ থেকেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এরই মধ্যে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে ।ভোটাররা যেন তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে সেই নিরাপত্তা দেয়া আমাদের দায়িত্ব।নির্বাচনে আমরা বরাবরের মত  এবারও নিরপেক্ষ ভ’মিকা পালন করব।এছাড়া যখনিই কোথাও অনিয়মের খবর পাব তাতক্ষনিক আমরা শাস্তি দেয়া ব্যবস্থা করব। 
 
ইত্তেফাক/এসএসএ