দুই শিশুর এনগেজমেন্টে মিশরে ক্ষোভ

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৬, ০১:৩৯
বিয়ের বর ওমরের বয়স মাত্র ১২ আর কনে গ্রাহামের ১১। এই বয়সে তাদের পিতামাতা তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে এনগেজমেন্ট সম্পন্ন করেছে।
 
মিশরের আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সীদের বিবাহ নিষিদ্ধ। তবুও ওমর আর গ্রাহামের বিয়ে দেওয়ায় আইনজীবী ও মহিলা অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাওয়া স্বেচ্ছাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়েছে। ওমর আর গ্রাহামের বিয়ের ছবি পত্রিকায় প্রকাশের পর তারা জানতে পারে বিয়ের বিষয়টি।
 
মিশরের নারী অধিকারকর্মী রেদা এলদানবৌকি মিশরের উইমেন সেন্টার ফর লিগাল এইড অ্যান্ড কাউন্সিলিংয়ের প্রধান। তিনি ইতিমধ্যে মিশরের অ্যাটর্নি জেনারেল বরাবর অভিযোগ পেশ করেছেন। অভিযোগে তিনি ওমর এবং গ্রাহামের ঘটনাটি তদন্ত এবং ঘটনা সত্য হলে তাদের বাবা-মায়ের অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন।
তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ওমর আর গ্রাহারে বিয়ের ফলে বিশেষ করে গ্রাহাম শিক্ষার সম অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। যাা সকল নারী শিক্ষার ওপর প্রভাব ফেলবে।
ওমরের বাবা অবশ্য এ বিয়ের ব্যাপারে মিডিয়ার সামনে বলেছে, তিনি একজন স্বাধীন মানুষ এবং তিনি কোনো অন্যায় করেননি। তিনি কেবল এনগেজমেন্ট করিয়েছেন, বিয়ে দেননি বলে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী মিশরে মোট মেয়ের ১৭ শতাংশ মেয়েদের বিয়ে ১৮ বছরের কম বয়সেই হয়ে যায়।
ইত্তেফাক/এএন