বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নির্জন কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। প্রতিদিন তার শরীর খারাপ হচ্ছে অথচ সরকার তার চিকিত্সা করছে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা নেত্রীকে মুক্ত করব। তাকে মুক্ত করলে গণতন্ত্রকে মুক্ত করা হবে। গতকাল সোমবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
আলোচনা সভা চলাকালে নেতা-কর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দীন আহমেদ বীর বিক্রম, ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আমিরুল ইসলাম খান, কাজী আবুল বাশার, আহসানুল্লাহ হাসান, সাদেক আহমেদ খান, শফিউল বারী বাবু, আনোয়ার হোসেইন, মামুন হাসান, হেলেন জেরিন খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনতাকে ধ্বংস করেছিল আওয়ামী লীগ। আজকে আবার ৪৮ বছর পরে ঠিক একইভাবে তারা আজকে নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে ছদ্মবেশে একটা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। এই উন্নয়ন শুধু কথার উন্নয়ন, এই উন্নয়ন হচ্ছে দুর্নীতির উন্নয়ন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে যারা গায়ের জোরে ক্ষমতায় তারা স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয় নিয়ে ইতিহাসকে বিকৃত করে মানুষকে অন্যপথে পরিচালিত করতে চাচ্ছে। স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে যারা লুকোচুরি করে বা ইতিহাসকে বিকৃত করে যা কোনোভাবে ক্ষমার যোগ্য নয়।
‘জিয়াউর রহমান ফরম পূরণ করে বাকশালে যোগ দিয়েছিলেন’— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফের এ বক্তব্য ‘সঠিক নয়’ দাবি করেন ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
