মায়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে মনোযোগের তাগিদ

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৬, ১৩:০০
 
সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈধ পথে বাণিজ্য কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়েনি। দেশটি বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার দ্বারা পরিচালিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর সুযোগ এসেছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এ লক্ষ্যে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো ছাড়াও ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনের সুযোগ তৈরি করা, নৌ ও সড়ক যোগাযোগ বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন তারা। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মত দেন বাংলাদেশ-মায়ানমার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতারা। সংগঠনের সভাপতি এস এম নূরুল হক বলেন, দেশটি বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। সমপ্রতি তারা নতুন পররাষ্ট্র নীতিও ঘোষণা করেছে। এ অবস্থায় তাদের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর দারুণ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের নির্মাণ সামগ্রী, ওষুধ, ইলেক্ট্রিক, সিরামিক দ্রব্য, ফার্নিচার, টেলিকম, তথ্য ও প্রযুক্তি ছাড়াও কনসালট্যান্সিসহ অন্যান্য সেবাখাতে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে মায়ানমার থেকে সামুদ্রিক ও কৃষি পণ্য বিশেষত চাল, ডাল, পেঁয়াজ, মশলা ছাড়াও গার্মেন্টসের জন্য আমদানিকৃত তুলাও চীন থেকে মায়ানমার হয়ে আমদানির সুযোগ রয়েছে। এ জন্য ব্যাংকিং চ্যানেলকে জোরদার করার পাশাপাশি নৌ ও সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করা জরুরি। শিগগিরই মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের যৌথ কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে এ ইস্যুগুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।
 
প্রসঙ্গত, গত অর্থবছর মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট বৈধ বাণিজ্য ছিল ৭ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে উভয় দেশের আমদানি রপ্তানি প্রায় সমান। তবে ২০১০-১১ অর্থবছরে প্রায় ১৯ কোটি ডলারের বাণিজ্যের মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল মাত্র এক কোটি ডলার।
 
মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ-মায়ানমার চেম্বারের নির্বাহী পরিচালক মোসলেহ উজ জামান উপস্থিত ছিলেন।
 
ইত্তেফাক/আরএ