যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৯, ২১:৫৪

যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার সারাদেশে ৪৯তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৯ পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:

চট্টগ্রাম: সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন। এরপর একে একে শ্রদ্ধা জানান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালাম, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান প্রমুখ। বিকালে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে নগর বিএনপি। জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় দৃষ্টিনন্দন ডিসপ্লে ও কুচকাওয়াজ।

সিলেট: নগরীর চৌহাট্টাস্থ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সর্বস্তরের মানুষ। সকালে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সকাল সোয়া ১০টায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুত্ফুর রহমান ও সাধারণ সমপাদক শফিকুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সমপাদক অ্যাডভোকেট মাহবুব, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সুজাত আলী রফিক প্রমুখ।

রাজশাহী: দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। বিভাগীয়, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন, মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে। আলোচনা সভা, জেলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বিভাগীয় কমিশনারের প্যারেড পরিদর্শন, কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ, শারীরিক কসরত প্রত্যক্ষণ ও পুরস্কার বিতরণ, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, হাসপাতাল, কারাগার, ও শিশুবিকাশ কেন্দ্রে উন্নত খাবার পরিবেশন, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়।

রংপুর:দিবসটি পালন উপলক্ষে রংপুরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রংপুর মহানগরীর মডার্ন মোড়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে স্থাপিত  স্মৃতি ভাষ্কর “অর্জন” এ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। প্রথমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার জয়নুল বারী, এরপর পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বাংলাদেশ পুলিশ রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আব্দুল আলীম মাহামুদ, রংপুরের জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের মানুষ। এদিকে রংপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রংপুর জেলা ইউনিট কমান্ড, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ ৩৩টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরা, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তাবৃন্দ।

অপরদিকে দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে রংপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ,  জাতীয় পার্টি (এ), রংপুর প্রেস ক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব, সিটি প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রংপুর জেলা শাখা, জেলা পরিষদ সুপার মাকেট দোকান মালিক সমিতি, জাসদ, বাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি, রংপুর জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ, রংপুর জেলা ও মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগ, রংপুর জেলা ও মহানগর যুবলীগ, রংপুর জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জাতীয় ছাত্র সমাজ, বাংলার চোখ, উদীচী শিল্পগোষ্ঠিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কুতিক, পেশাজীবী, সরকারি আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

খুলনা: সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নগরীর গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে  স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ৮টায় খুলনা জেলা স্কুল মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। এসময় মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। পরে সেখানে বিভিন্ন বাহিনী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে­­­­­ ও শরীরচর্চা প্রদর্শন করা হয়। এরপরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

বরিশাল : সকালে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিবাদন গ্রহণ করেন বিভাগীয় কমিশনার রামচন্দ্র দাস। এ সময় ছিলেন রেঞ্জ ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, বিএমপি কমিশনার মোশারফ হোসেন, জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান। এ ছাড়া সকালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাবেক সাংসদ মো. মইদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাহান আরা বেগমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ময়মনসিংহ: সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে প্রথমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান। এরপর রফিকউদ্দিন ভুঁইয়া স্টেডিয়ামে দিবসের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নিরঞ্জন দেবনাথ।

পিরোজপুর: শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অভিবাদন ও কুচকাওয়াজ হয়। জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবির অভিবাদন গ্রহণ করেন। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর): উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। পরে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। স্থানীয় বিহারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা হয়। এসব অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং জাতীয় পার্টি জেপি মহিলা পার্টির উপজেলা সভানেত্রী আসমা আখতার, ওসি শাহাবুদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফাইজুর রশিদ খশরু জোমাদ্দারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

নড়াইল: নড়াইল জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে, জেলা জজ আদালত সংলগ্ন চিত্রা নদীর পাড়ের বধ্যভূমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের গণকবর ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ বিভাগ, জেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আওয়ামী লীগ, নড়াইল পৌরসভাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এরপর বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

মৌলভীবাজার: সকাল আটটায় মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল কুচকাওয়াজ, শারীরিক কসরত ও পুরস্কার বিতরণী, জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কেন্দ্রে ও পৌরসভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান, মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শন, হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন এবং সর্বশেষ ছিল আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

মাগুরা: জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে শহরের নোমানী ময়দানে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান স্টেডিয়ামে পুলিশ, আনসার, ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস, স্কাউট, গার্লস গাইড ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শিত হয়। কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক  মো. আলী আকবর ও পুলিশ সুপার খান মো. রেজোয়ান।

রাজবাড়ী: সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের আম্রকানন চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকসহ ছয়টি স্থানে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এরপর রাজবাড়ীর কাজী হেদায়েত হোসেন স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশ হতে একযোগে শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।

ভোলা: জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ। পরে বাংলা স্কুল মাঠে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আশরাফ হোসেন লাভু প্রমুখ।

জয়পুরহাট: জয়পুরহাট স্টেডিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। কুচকাওয়াজ এবং শরীরচর্চায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. সামছুল আলম দুদু ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকির হোসেন। স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, হাসপাতাল, জেলখানা ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। এছাড়া শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে আলোচনা সভা হয়।

টাঙ্গাইল: সকাল ৮টার দিকে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী হয়। জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মনোয়ারা বেগম প্রমুখ।

শরীয়তপুর: জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেদুর রহমান খোকা শিকদারের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আলোচনা সভা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পিপি মির্জা হজরত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জল প্রমুখ।

নরসিংদী: ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবসের সূচনা করা হয়। সকাল ৬টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা সেক্টরস কমান্ডার ফোরামের সভাপতি আব্দুল মোতালিব পাঠানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে (নতুন) বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালিব পাঠান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল আউয়াল প্রমুখ।

বগুড়া: শহরের ফুলবাড়ীতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বগুড়া জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ, পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা, জেলা আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন। শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের কুচকাওয়াজ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

নোয়াখালী : ভোরে জেলার কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস ও পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিমসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি  প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক  সংগঠন। দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে  সংবর্ধনা  দেওয়া হয়। অন্যদিকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে শহীদ মিনার ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, র্যালি ও আলোচনা সভা হয়।