হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলাকারী যুবক শিহাবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনে রিমান্ডে নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিট ইউনিট। এর আগে শনিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট শিহাবকে হেফাজতে নেয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।
রবিবার দুপুরে বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শিহাবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। ঢাকা মহানগর মুখ্য হাকিম আদালত রিমান্ডের শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
হামলার ঘটনার ছয় দিন পরও ঐ যুবকের প্রকৃত পরিচয় উদঘাটন হয়নি। হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি তদন্তের জন্য বিমানবন্দর থানা থেকে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।
৬ নভেম্বর রাতে বিমানবন্দরের আগমন টার্মিনালের ৪ নম্বর গেটে ঐ শিহাবের ছুরিকাঘাতে নিহত হন আনসার সদস্য সোহাগ আলী। এ সময় তার ছুরিকাঘাতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক এপিবিএন সদস্য এবং আরও চার আনসার সদস্য আহত হন। পরে যাত্রীদের সহায়তায় ধরা পড়ার পর গণপিটুনিতে জখম হয় ওই যুবক। হামলার পর পুলিশ হেফাজতে সে নিজেকে শিহাব নামে পরিচয় দেয়।
কাউন্টার টেরোরিজম এ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, ওই যুবক এখন প্রায় সুস্থ। পুলিশের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তার ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং মোবাইলের বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনে তার পরিচয় মিলেনি। এতে তার পরিচয় উদঘাটনে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে।
সূত্র জানায়, ওই হামলাকারীকে কে বিমানবন্দরে পাঠিয়েছিল এবং তাকে পাঠানোর ক্ষেত্রে কারও হাত রয়েছে কি না তা খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। কিন্তু, এখন পর্যন্ত ওই বিষয়ে কোন তথ্য পায়নি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা।
ইত্তেফাক/এসএসএ
