সীমান্তরক্ষী বিজিবির কড়া নজরদারি থাকার পরও রাতের আধাঁরে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করছে সপরিবারে।
স্থানীয় দালালরা টাকার বিনিময়ে এসব রোহিঙ্গাদের পৌঁছে দিচ্ছে কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে। প্রতি রাতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকায় তাদের থাকার জায়গা নেই। ফলে এসব রোহিঙ্গারা তৈরি করছে নতুন নতুন ঝুঁপড়ি ঘর। বৃহস্পতিবার কুতুপালং ক্যাম্প ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।
কুতুপালং বস্তির বাসিন্দা ইয়াকুব আলী জানান, ছোট্ট একটি ঝুঁপড়িতে তারা স্বামী-স্ত্রী ছেলে মেয়েসহ ৭ জনের বসবাস। এ অবস্থায় এক আত্মীয় পরিবারের ৫ জনকে জায়গা দিতে গিয়ে কোন রকমে ঠাসাঠাসির মধ্যে রাত কাটাতে হচ্ছে।
কুতুপালং বস্তি ম্যানেজম্যান্ট কমিটির সভাপতি আবু ছিদ্দিক জানান, যাদের টাকা আছে তারা ঝুঁপড়ি নির্মাণ করছে। যাদের সহায় সম্বল নাই তারা অন্যের বাড়িতে মানবেতর দিনযাপন করছে।
কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ আরমান শাকিল বলেন, ক্যাম্পে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা নাগরিক আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের জানান, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে রাতদিন পরিশ্রম করছে বিজিবি ও পুলিশ । তার পরও ফাঁকফোকর দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করছে।
কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি সত্তে¡ও যেসব রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে তাদে আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি নাফনদী অতিক্রম করাকালেও রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
