গুলশান হামলায় আইএসের অনুমতির বিষয়ে তথ্য নেই: ডিএমপি কমিশনার

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০:৪৮
 
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিদের হামলার ব্যাপারে জঙ্গি তামিম চৌধুরী আইএসের অনুমতি নিয়েছিলেন কি-না সে বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য নেই।
 
শনিবার সকালে ডিএমপি সদর দফতরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড এর পক্ষ থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটকে দুই কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
 
আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে কমিশনার বলেন, বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জঙ্গি সংগঠন আইএসের অনুমোদন নিয়ে গুলশানে হামলার কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে গোয়েন্দাদের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই।
 
কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া আরো বলেন, গুলশানে হামলার পর পুলিশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। পুলিশ এখন যে কোনো ধরনের হামলা মোকাবেলায় সক্ষম। এক প্রশ্নের উত্তরে ডিএমপি কমিশনার বলেন, জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবি’র নেতা মারজান, বাশার, রাজিবসহ বিভিন্ন সদস্য-যারা পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
 
অনুষ্ঠানে কমিশনার বলেন, ডাচ-বাংলার অনুদানের অর্থ সিটিটিসির উন্নয়ন ও সক্ষমতা বাড়াতে ব্যয় করা হবে। দেশের মানুষের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সবসময় কাজ করবে সিটিটিসি। নিরাপত্তা বাড়লেই দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। বিনিয়োগ বাড়লে এগিয়ে যাবে দেশ। টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি হলে দেশের বিনিয়োগ বাধাগ্রস্থ হবে। বিনিয়োগ যেন বাধাগ্রস্থ না হয় সে লক্ষ্যেই কাজ করছে পুলিশ।
 
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, পুলিশকে জনবান্ধবক ও নারীবান্ধব করে গড়ে তোলার বিষয়ে কাজ চলছে। থানা পুলিশের সেবার মান অনেক বেড়েছে। সেবার মান বাড়াতে দরকার উন্নত প্রশিক্ষণ, আর্থিক সক্ষমতা ও দৃঢ় মনোবল। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অনেকে ডিএমপির সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্যের হাত এগিয়েছেন।
 
এদিকে অনুষ্ঠানে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ বলেন, ডিএমপির সঙ্গে অতীতেও তার প্রতিষ্ঠন ছিল, এখনও আছে। ডিএমপি যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা অত্যন্ত প্রশাংসনীয়।
 
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর একেএম শিরিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) শাহাব উদ্দিন কোরেশী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।
 

ইত্তেফাক/এএম।