মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর
ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলাদেশে গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি বলে আবারো মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপ মুখপাত্র রবার্ট পালাদিনো এ কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়, সম্প্রতি প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। বিরোধী দল নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্র কি কি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে?
জবাবে মুখপাত্র পালাদিনো বলেন, মানবাধিকার রিপোর্টে আমরা বলেছি যে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না। এতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে আছে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা, বিরোধী দলীয় পোলিং এজেন্ট ও ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা, সহনশীলতার দীর্ঘ একটি ইতিহাস রয়েছে। যার লক্ষ্য হলো একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, যার প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হবে, মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে ও তার শাসন কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলো মজবুত হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নজরকাড়া রেকর্ড আছে। আছে গণতন্ত্র, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। এগুলো প্রতিযোগিতার লক্ষ্য নয়। এতে আসলে অর্থনৈতিক উন্নতি ত্বরান্বিত হবে। তাই পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এসব লক্ষ্যে এগিয়ে নিতে ক্ষমতাসীন সরকার ও বিরোধীদের সঙ্গে অব্যাহতভাবে কাজ করে যেতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
