গাংনীতে শিক্ষককে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০১৭, ১২:৫৬
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ডিজেএমসি (দেবিপুর) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ও বামুন্দী নিশিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হাদীর উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান করেছে শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।
 
বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে১০ টা পর্যন্ত মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।  মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরফি উজ জামানকে স্মারকলিপি প্রদান করেছে সংগঠনের নেতারা।
 
গাংনী মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খোরশেদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি সৈয়দ জাকির হোসেন, উপজেলা শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম তারা, কোষাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান এবং গাংনী শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও গাংনী সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামান লালু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
 
এ সময় সিএফএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আল হেলাল, হাড়াভাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেতাব আলী, বাদীয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুল হোসেন, গাঁড়াডোব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, গাংনী পৌর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোমিনুজ্জামান, বাঁশবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলীমুজ্জামান, চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দীন, রাইপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান, কাজীপুর মধ্যপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মু. আলম হুসাইন উপস্থিত ছিলেন।
 
উল্লেখ্য, গত ১ জানুয়ারি ডিজেএমসি (দেবীপুর) মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পদে পরাজিত হয়ে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে হাতুড়ি পেটা করে পা ভেঙ্গে দেয় স্থানীয় গ্রাম আওয়ামী লীগের সভাপতি মামুনুর রহমান। এছাড়া একই দিনে বামুন্দী নিশিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হাদীকে হামলা করে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা।
 
পৃথক এ দুটি ঘটনায় ওইদিন প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামুনুর রহমানের নামে এবং বামুন্দী নিশিপুর স্কুল অ্যাড কলেজের পক্ষে আটজনকে আসামি করে অপর একটি মামলা করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ