জেলায় ফুলবাড়ীয়া উপজেলা হাসপাতাল রোডের শাহী জামে মসজিদ সংলগ্ন কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ায় কাঠের পাটাতন লাগানো হয়েছে।
এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে হাজার হাজার রোগী, রোগী বহনকারী গাড়ি, স্কুল-কলেজের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী, রাস্তার পাশে রয়েছে ১০টি ক্লিনিক এবং তিন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। প্রায় ৯ মাস ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও প্রশাসনের উদ্যোগে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে জানা যায়, ফুলবাড়ীয়া উপজেলা সদরের প্রবেশ পথে শাহী জামে মসজিদ সংলগ্ন একটি পাকা কালভার্ট। এটির বেশকিছু অংশ ধসে পড়লে পৌর কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে কাঠ দিয়ে কালভার্টটি নির্মাণ করে চলাচলের উপযোগী করেন। সম্প্রতি সেটিও ভেঙে যাওয়ায় আবারো মেরামতের কাজ চলছে। লক্কড় ঝক্কড় কাঠের ব্রিজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভ্যান, রিকশা, অটোসহ সাধারণ যানবাহন চলাচল করছে। বন্ধ হয়ে গেছে সকল প্রকার ভারী যানবাহন চলাচল। রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও চলছে ঝুঁকি নিয়ে।
কালভার্টটি বড় হওয়ায় উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও পৌর কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলছে টানা-হেঁচড়া। দুই কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতায় নির্মাণ কাজের উপযুক্ত সময় অতিবাহিত হচ্ছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। ইতোমধ্যে চিঠি চালাচালি হয়েছে একাধিকবার কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। তবে সমন্বয়ের মাধ্যমে অতি দ্রুত বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই কালভার্টটি নির্মাণ করে দুর্ভোগ লাঘব করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলাম বলেন, আমরা এলজিইডি’র তত্ত্বাবধানে সংসদ সদস্যের মাধ্যমে কালভার্টটি নির্মাণ করার জন্য চেষ্টা করছি। উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান জানান, নীতিমালার আলোকে পৌর এলাকার ভেতরে কাজ করার সুযোগ নেই। এরপরও সংস্কার প্রকল্পের আওতায় আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম তা অনুমোদন পাওয়া যায়নি।
ইত্তেফাক/এএন
