রাণীনগরের বাঁশবাড়িয়া-তিলাবদুরী রাস্তা খানাখন্দে ভরা

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৯, ১৬:৩৮

নওগাঁর রাণীনগরের বাঁশবাড়িয়া-তিলাবদুরী যাওয়ার একমাত্র গ্রামীণ রাস্তার মাঝে বড় বড় খানাখন্দ। দেখে মনে হবে এ যেন রাস্তা নয় ছোট ছোট পুকুর। এতে প্রতিনিয়ত যাত্রী, পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঘটেই চলেছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

বর্তমান সরকার যেখানে গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে বধ্যপরিকর সেখানে গ্রামীণ এই রাস্তার বেহাল দশার দীর্ঘ সময় পার হলেও তা সংস্কার করার কোন খবর নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। রাণীনগর উপজেলার শেষ আর আত্রাই উপজেলার শুরু এই দুই সীমানার মাঝখানের মাত্র প্রায় ১কিলোমিটার রাস্তা বর্তমানে খানাখন্দে ভরা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে তিলাবদুরী, জামগ্রাম, পোঁওয়াতাপাড়া, তেঘড়, বাঁশবাড়িয়া, আকনা, ঝিনা ও শাহাগোলাসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষদের প্রতিনিয়ত চলাচল করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে এই সব গর্তে হাঁটু পানি জমে থাকে। ফলে দিনে কিংবা রাতে চলাচলের সময় গর্তে উল্টে পড়ে মানুষ।

তিলাবদুরী গ্রামের সোহেল আরমান, সাখাওয়াতসহ অনেকে বলেন, আমরা চরম অবহেলিত এলাকায় বাস করি। যে কারণে দীর্ঘ সময় পার হলেও গ্রামীণ এই অবহেলিত মরণ ফাঁদ রাস্তায় এখন পর্যন্ত আধুনিকতার কোন ছোঁয়াই লাগেনি। স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অনেকবার জানানোর পরও রাস্তাটি এখনোও বেহাল দশায় পড়ে আছে। 

স্থানীয় ভ্যানগাড়ী চালক সাইফুল ইসলাম, ফারুক হোসেনসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, আমরা খেটে খাওয়া দিনমজুর। তাই কারো নজর আমাদের ওপর পড়ে না। এইটুক রাস্তার জন্য আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভ্যানগাড়ি চালাতে হয়। অনেকবার ভ্যান উল্টে যাত্রীসহ অনেকের হাত-পা ভেঙ্গে গেছে। বিশেষ করে চরম বিপদে পড়তে হয় বর্ষা মৌসুমে। তাই আমরা চাই সরকার যেন আগামী বর্ষা মৌসুম আসার আগেই এই রাস্তাটি সংস্কার কিংবা পাকা করে দেয়।’

বড়গাছা ইউনিয়ন পরিসদ চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম শফু বলেন, ‘এই রাস্তা সংস্কারের জন্য সকল কাগজপত্রাদি উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে জমা দিয়েছি। আশা করছি অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে।’

আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যা

উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান মিঞা বলেন, ‘এই রাস্তার বেহাল দশা সংস্কারের জন্য উপরমহলে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। বরাদ্দ পেলেই সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।’

ইত্তেফাক/নূহু