২০১৬ সালকে সার্ভিস ইয়ার বা সেবা বর্ষ ঘোষণা করেছিলো ওয়ালটন। চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলো সেবার ক্ষেত্রে জিরো পেন্ডিংয়ের। বছর শেষে তারা ঠিকই সফল হয়েছে। জিরো পেন্ডিং নিয়ে নতুন বছর শুরু করেছে ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যা বাংলাদেশে বিক্রয়োত্তর সেবার ক্ষেত্রে একটি নজিরবিহীন ঘটনা।
সর্বোচ্চমানের গ্রাহকবান্ধব বিক্রয়োত্তর সেবা দেয়ার লক্ষ্যে ওয়ালটন বাড়িয়েছে প্রকৌশলী, টেকনিশিয়ান, কাস্টমর কেয়ার এক্সিকিউটিভ ও প্রতিনিধির সংখ্যা। নতুন নতুন সার্ভিস সেন্টার চালুর মাধ্যমে সারা দেশে বিস্তৃত করা হয়েছে সার্ভিস নেটওয়ার্ক। গত বছরের শেষ দিন পর্যন্ত যারা সেবা নিতে এসেছেন সবাই সেবা পেয়েছেন। অনিষ্পন্ন সেবার সংখ্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে এনে বিদায় জানানো হয়েছে ২০১৬ সালকে।
ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (ডব্লিউএসএমএস) প্রধান নিয়ামুল হক বলেন, "টার্গেট ছিলো 'জিরো পেনডিং (অনিষ্পন্ন) সার্ভিস রেট' অর্জন করা। এ লক্ষ্য পূরণ কঠিন ব্যাপার ছিল। কেননা সারা দেশে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের কোটি কোটি গ্রাহক। কিছু গ্রাহকের কাছ থেকে বছরের শেষ দিনেও বিক্রয়োত্তর সেবার আবেদন পাওয়া গিয়েছিল। তাদের তাৎক্ষনিক সার্ভিস দেয়া হয়েছে। জিরো পেন্ডিং নিয়ে নতুন বছর শুরু করতে পারা সার্ভিস প্রোভাইডারদো জন্য বিশাল অর্জন। বাংলাদেশে নজিরবিহীন।"
জানা গেছে, বাংলাদেশে ফ্রিজ, টিভি, এসি, মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য হোম এ্যাপ্লায়েন্সেস পণ্যের আফটার সেল সার্ভিসে একমাত্র ওয়ালটনেরই রয়েছে আইএসও সনদ (আইএসও ৯০০১:২০০৮)। বিশ্বমানের মেশিনারিজ, উচ্চ শিক্ষিত, দক্ষ, অভিজ্ঞ প্রকৌশলী এবং টেকনিশিয়ান, মানসম্পন্ন খুচরা যন্ত্রাংশের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা দিয়ে ওয়ালটন অর্জন করেছে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
ইত্তেফাক/এসএস
