রাধারমণ একাধারে কবি, সংগীত শিল্পী ও গীতিকার। ধামাইল গান হল রাধারমণের অনবদ্য সৃষ্টি। একজন ভাবুক কবি হিসেবে তিনি ধামাইল গানের মাধ্যমে গ্রাম্যবাংলার জীবনচিত্রকে নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন।
বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে দিন দিন বহিঃসংস্কৃতির প্রভাব বাড়ছে। তাই দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে। দেশীয় সংস্কৃতির লালন ও পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করতে হবে। এই ধরনের উত্সব বৈষ্ণব কবি রাধারমণের সৃষ্টিকে সবার কাছে পৌঁছে দিবে। আন্তর্জাতিক রাধারমণ পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলার আয়োজনে দুইদিনব্যাপী ধামাইল উত্সবের প্রথম দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
এর আগে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাসন রাজা মিলনায়তনে ধামাইল উত্সবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম।
আন্তর্জাতিক রাধারমণ পরিষদের সভাপতি ডি. চৌধুরী অসিতের সভাপতিত্বে এবং জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ, শিক্ষাবিদ পরিমল কান্তি দে, মুক্তিযুদ্ধ চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু প্রমুখ।
মুখ্য আলোচক ছিলেন লোক সংস্কৃতি গবেষক সুবাস উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক রাধারমণ পরিষদের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট অলক ঘোষ চৌধুরী।
প্রথম দিনের উত্সবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে ছাতক উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি, শ্রীমঙ্গল নবনাগরী ধামাইল সংঘ, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি, শতদল শিল্পী গোষ্ঠী, বুলবুল সংগীত নিকেতন, জেলা বাউল কল্যাণ সমিতি।
ইত্তেফাক/এএম।
