হবিগঞ্জের মাধবপুরে পুলিশকে মারধরের ঘটনার মূল হোতা শিপন মিয়া মালয়েশিয়া পালিয়ে যাওয়ার সময় ইমেগ্রেশন পুলিশের সহযোগিতায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাধবপুর থানার উপ-পরিদর্শক আশীষ কুমার মৈত্রের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বুধবার ভোর রাতে তাকে গ্রেফতার করে। ধৃত শিপন মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের মাহমুদ হোসেনের ছেলে। ধৃত শিপন চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের ৩২/০৮ জিআর ১৪২/৬ এর গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামি। মাধবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম পলাশ জানান, সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে মনতলা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের ৩২/০৮ জিআর ১৪২/৬ এর গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামি উপজেলার গাজীপুর গ্রামের মাহমুদ হোসেনের ছেলে শিপন মিয়াকে গ্রেফতার করতে যায় সেখানে তাকে আটক করলে তার আত্মীয় স্বজনরা দেশিয় ও মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে আসামি শিপনকে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় হামলায় এসআই কামরুল ইসলাম, এএসআই জালাল উদ্দিন, এএসআই মাছুম, কনস্টেবল ভজন দাস, কনস্টেবল মনির হোসেন আহত হন।
তাদেরকে রাতেই মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে এসআই কামরুল ইসলাম ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩/৪জনের বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলা, কর্তব্য কাজে বাধাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশীষ কুমার মৈত্র জানান, গ্রেফতার এড়াতে শিপন মঙ্গলবার রাতে মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার জন্য ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে চলে যায়। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে ইমেগ্রেশন পুলিশের সহযোগিতায় বুধবার ভোররাতে বিমান বন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শিপন গাজীপুর গ্রামে পুলিশ এসল্ট মামলার প্রধান আসামি। এর আগে পুলিশ গাজীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে উক্ত মামলার আসামি কামাল মিয়াকে (৩৭) গ্রেফতার করে।
ইত্তেফাক/এসএস
