বগুড়ার কাহালু উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ধলাহার হিন্দুপাড়া গ্রামের তিন পরিবারের বাড়িতে মঙ্গলবার গভীর রাতে ডাকাতি হয়। এ ঘটনায় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের বেঁধে রেখে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থসহ প্রায় ২৬ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতদের মারধরে আহত হন দুইজন।
জানা গেছে, ওই দিন রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ১৫/২০ সদস্যের একদল ডাকাত প্রাচীর টপকিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ভজন চাকী ও তার দুই ভাই রবিন্দ্র নাথ চাকী ও সাধন চাকীর বাড়ির ভেতর প্রবেশ করে পরিবারের সকল সদস্যকে হাত পা বেঁধে মারপিট করে শাবল দিয়ে ষ্টীল আলমারির তালা ভেঙ্গে স্বর্ণালঙ্কার, রূপা ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ভজন চাকী জানায়, প্রথমে ডাকাতেরা রবিন্দ্র নাথ চাকীর বাড়িতে হানা দেয়। ডাকাতেরা বয়সে যুবক। তাদের হাতে আগ্নেয় ও দেশীয় অস্ত্র ছিল। তারা বাড়ির কোন সদস্যকে চিৎকার করতে দেয়নি। প্রায় এক ঘণ্টা সময় ধরে ডাকাতি কালে ভজন চাকীর ৬ ভরি সোনা, ১৫ ভরি রূপা ও নগদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা, সাধন চাকীর ১৫ ভরি সোনা, নগদ সাড়ে ৬ লাখ টাকা এবং রবিন্দ্র নাথ চাকীর ৮ ভরি সোনা ও নগদ ২ লাখ টাকা এবং তার নিকট মন্দিরের রক্ষিত আরো আড়াই ভরি সোনা লুট করে নেয়।
ডাকাতি হওয়া পরিবারের দেয়া বিবরণ অনুযায়ী লুণ্ঠিত মালামালের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ২৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া ডাকাতের মারপিটে ভজন চাকীর স্ত্রী মুক্তি রানী ও তার পুত্র অনু চাকী আহত হন। বুধবার সকালে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মোকবুল, নন্দ্রীগ্রাম সার্কেলের এ.এস.পি. মাহবুব হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ ছাড়া আওয়ামী লীগ কাহালু উপজেলা শাখার সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব হেলাল উদ্দিন কবিরাজ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। এ রিপোর্ট লেখার সময় দুপুর দুইটা পর্যন্ত পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কাহালু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলেন।
ইত্তেফাক/আরএ
