পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে মোট ৩৬৫ জন নারী ও কন্যা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পায়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু লিখিত এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে দেখা যায় বছরের প্রথম মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে মোট ৭৬টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৪ জন, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৪ জনকে, এছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ১২ জনকে। শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে ৪ জন। যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৫ জন। এসিডদগ্ধের শিকার হয়েছে ৩ জন ও অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে ৫ জন, এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে মোট ৮টি। নারী ও কন্যাশিশু পাচারের শিকার হয়েছে ৯ জন, এর মধ্যে পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে ২ জনকে। বিভিন্ন কারণে ৬৩ জন নারী ও কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৩১ জন, এর মধ্যে হত্যা করা হয়েছে ১২ জনকে। গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১ জন। উত্ত্যক্ত করা হয়েছে ২৩ জনকে। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ৩৩ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে এবং ৯ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। উক্ত সময় বাল্য বিয়ে সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে ২২টি, এরমধ্যে বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে ১২ জন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ১০টিসহ ৩১ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে ২১ জনকে। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৪ জন। বে-আইনি ফতোয়ার ঘটনা ঘটেছে ২টি।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংরক্ষিত ১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
ইত্তেফাক/এমআই
