উপজেলার পেচারকান্দা হাট সংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীর ওপর ব্রিজের সংযোজন সড়কের মাটি ধসে গেছে। এতে সড়ক দিয়ে চলাচল করতে লোকজনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সূত্র জানায়, ২০০৮ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর উপজেলাধীন ধুলন্ডি, পেচারকান্দা হাট সংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীর ওপর ১০০ দশমিক ১০ মিটার দীর্ঘ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। এলজিইডির অর্থায়নে ব্রিজটি নির্মাণ করে।
বিগত বন্যা এবং অতিবৃষ্টির কারণে ব্রিজটির দুই পাশের কার্পেটিং করা রাস্তা ধসে যায়। এছাড়া এ সড়কের প্রায় এক কি.মি. রাস্তা দীর্ঘদিনেও মেরামত না করায় এ রাস্তা দিয়ে চলাচলরত পেচারকান্দা, চরবেনোরা, চরকুশুন্ডা, রামেশ্বরপট্টি, সড়কঘাটা, আশাপুর, কামারজাগী, টেপড়ি, সাইংজুরি, কাউটিয়া , বামনা, শোধঘাটাসহ ঘিওর ও সিংজুরী ইউনিয়নের প্রায় ১৩-১৪টি গ্রামের ১৫-২০ হাজার জনগণকে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বালিয়াখোড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আঃ রহমানসহ এলাকাবাসী বলেন, আমরা এই ভাঙার ব্যাপারে চেয়ারম্যানকে মৌখিকভাবে অনেকবার বলেছি কিন্তু সে বলে আমার পরিষদে কোনো ফাণ্ড নেই আমি কোনো কিছু করতে পারবো না। এলজিইডির রাস্তা এলজিইডি করবে। আমরা এ চরম দুর্ভোগের পরিত্রাণ চাই।
বালিয়াখোড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আওয়াল খান জানান, ধুলন্ডি, পেচারকান্দা ধলেশ্বরী নদীর উপর ব্রিজের গোড়ার মাটি এবং রাস্তাটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদে কোনো বাজেট নেই। উপজেলা পরিষদ মিটিং-এর রেজুলেশনে বার বার আমি উল্লেখ করেছি।
মেরামতের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যকে, এলজিইডি, স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. সাজ্জাকুর রহমান জানান, ব্রিজটি আমি পরিদর্শন করেছি। প্রকল্প তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। ব্রিজের গোড়ার কাজটি অচিরেই সমাপ্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা খন্দকার জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
