নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাপ, বিপাকে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৮:০৯
মাইকেল ফ্লিনের পদত্যাগের কোন ইচ্ছা নেই এবং তিনি এও প্রত্যাশা করছেন না যে তাকে চাকরীচ্যুত করা হবে। হোয়াইট হাউজের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা সিএনএনকে জানান।
 
প্রায় ৭২ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও আমেরিকার এ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অস্বীকার করতে পারছেন না যে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা নেয়ার আগেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যাপারে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেছেন।  তবে ফ্লিনের পদত্যাগের কোন পরিকল্পনা নেই দেখে হোয়াইট হাউজের ভেতরে ট্রাম্পের অনুগত অনেক কর্মকর্তাই সন্দেহ প্রকাশ করছেন এই ব্যাপারে যে, তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সসহ হোয়াউট হাউজেরই অনেক ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের দ্বারা চালিত হচ্ছেন, যার কারণে পেন্স রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে ওয়াশিংটনে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত সার্জে কিসলিয়াকের সঙ্গে ফ্লিনের কথোপকথনের কথা অস্বীকার করেছেন।
 
IMG0
 
তবে মার্কিন কর্তাব্যক্তিরা জানান, ‘থলের বেড়াল বের হয়ে গেছে। এই ঘটনার পর থেকে হোয়াইট হাউজে ফ্লিনের ভবিষ্যৎ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এটা নিয়ে এখানে প্রচুর দ্বন্দ্বের জন্ম হতে পারে।’ এছাড়া দেশটির প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগে যারা এ ব্যাপারটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল, তারাও এখন বিশ্বাস করছে যে মার্কিন এই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের কথা হয়েছে। গত শুক্রবারেই ফ্লিন ও কিসলিয়াক এর মধ্যে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞাসহ দু’দেশের স্পর্শকাতর অনেক বিষয় নিয়েই কথা হয়েছে বলে সত্যতা পান মার্কিন কর্মকর্তারা। সিএনএন। 
 
ইত্তেফাক/সেতু