ভালো মানুষ হওয়ার জন্য এখন জেলে বসে দিনভর কোরআন পড়লেও ইরাকের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ২০০ এর বেশি নারীকে ধর্ষণের পরও মনে কোনো পাপবোধ নেই বলে জানিয়েছে ইসলামিক স্টেট বা আইএস জঙ্গি অমর হুসেইন।
শুধু নারী ধর্ষণই নয়; তার হাতে খুন হয়েছেন ৫০০ মানুষ। কিন্তু এতো মানুষ খুনের পরও এ নিয়ে কোনো খেদ নেই বলে কুর্দি গোয়েন্দাদের কাছে স্বীকার করেছে অমর হুসেইন।
গত অক্টোবরে কুর্দি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে অমর। গোয়েন্দাদের জেরায় সে জানিয়েছে, তার কামান্ডার তাদের ঢালাও ধর্ষণের অনুমতি দিয়েছিল। আর ইরাকের সংখ্যালঘু ইয়াজিদ নারীদের সঙ্গে সেটাই অবাধে করেছিল অমররা। কারণ, আইএস যোদ্ধাদের জন্য এর প্রয়োজন ছিল বলে দাবি অমরের।
অমর হুসেইন জানিয়েছে, ইরাকের কিরকুক ও সংলগ্ন এলাকায় হামলা চালানোর সময়ে আইএস জঙ্গিরা ইয়াজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িতে ঢুকে হত্যালীলা চালিয়েছে। কোনো নারীকে ছাড়া হয়নি। ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে তাদের।
শুধু তাই নয়; ইয়াজিদি নারীদের সেক্স স্লেভ বা যৌন-দাসী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে অমর।
২০১৩ সালে আইএস-এ যোগ দেওয়ার পর থেকে অমর মোট ৫০০ জনকে হত্যা করেছে। অমরের ভাষ্য, 'কাউকে গুলি করার প্রয়োজন হলে গুলি করতাম, মাথা কেটে নেওয়ার আদেশ পেলে মাথা কেটে নিতাম।
অমর আরও জানিয়েছে, কীভাবে খুন করতে হবে তার ট্রেনিং দিয়েছিল আইএস-এর কামান্ডাররা। কখনও ৭, কখনও ১০, আবার কখনও ৪০ জন লোককে মরুভূমিতে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে সে।
ইত্তেফাক/মনসুর
