নাগেশ্বরীতে অগ্রহায়ণে শীতের তীব্রতা

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০১৮, ২১:৩৬

নাগেশ্বরীতে অগ্রহায়ণের শুরুতেই হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা জানান দিচ্ছে এবারের শীতের তীব্রতা। সকাল ও সন্ধ্যায় ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় চারদিক। দিনে সূর্যের কুয়াশা ভেদ করে উজ্জ্বল আলোয় পৃথিবী আলোকিত করলেও তেমন উত্তাপ নেই। এদিকে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধই বেশি।

উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে পুরাতন শীতের কাপড় কিনতে আসা নারায়ণপুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুরি গ্রামের মকুল মিয়া ও নুরনবী বলেন, এবার আগেভাগেই শীত নামছে, তাই কাপড় কিনতে এসেছি। আগাম শীতের কারণে দামও বেড়েছে গরম কাপড়ের। এই শীতে গরীব মানুষের যে কি হবে তা ভাবতেই কষ্ট লাগে। উপজেলার কেদারের ষাটোর্ধ্ব আব্দুল করিম বলেন, এ্যালায় যে শীতের আবস্থা দেখং বাহে এবার বুজি শীতোতে মরি যাম।

কুড়িগ্রামের কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পরিদর্শক মোফাখখারুল আলম জানান, জলবায়ুর পরিবর্তন, বৃষ্টি কম ও এবার মৌসুমের শুরুতেই উত্তর-উত্তর পূর্ব দিক থেকে হিমালয়ের পাদদেশ ছোঁয়া বাতাস এ অঞ্চলে আসায় অগ্রিম শীত নেমেছে। যা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত স্থায়ী হবে এবং তীব্রতা বাড়বে। গত কয়েকদিন থেকে গড় তাপমাত্রা ১২-১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠা-নামা করছে। ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারিতে সাইবেরিয়ান হাওয়া আসলে তাপমাত্রা আরও নেমে যাবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শঙ্কর কুমার বিশ্বাস বলেন, অন্য বছরের তুলনায় মৌসুমের শুরুতেই এবারে শীতের প্রকোপ অনেক বেশি। দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।