ডেস্কে বসে টানা কাজ করলে ক্ষুধা লাগতে পারে। বিরক্তিকর কোনো কাজে হাত লাগালে ঝিমিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। কাজের শেষের দিকে ঘুম আসতে পারে। কাজের গতি আনার জন্য বিকেলে জাঙ্কফুড খেয়ে থাকেন। এধরনের খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
ডিম
ডিমে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন থাকে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে সারাদিন কাজে শক্তি পাওয়া যায়। ডিমে থাকা ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করার শক্তি জোগাবে।
শস্য দানার রুটি
শস্য দানার রুটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে উচ্চমাত্রায় ফাইবার, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে। এতে দীর্ঘক্ষণ কাজ করার শক্তি পাওয়া যায়। এতে শরীরের অলসতা দূর হবে।
জাম্বুরা
সুস্বাদু এবং তাজা ফল জাম্বুরা দিনের যেকোনো সময় খেতে পারেন। ভিটামিন সি, পাইটোনিউট্রিয়েন্টস এবং ফলেইট সমৃদ্ধ এই রসালো ফলটি রোগ প্রতিরোধ করে এবং শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।
কিউই ফল
দুপুরের খাবারে কিউই ফল সালাদ হিসেবে খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর করবে। খাওয়ার পর ঘুম ঘুম ভাব কেটে যাবে। কিউই ফলে কপার এবং ভিটামিন সি রয়েছে যা শরীর সচল রাখে।
শণ বীজ
ডায়েট চার্টে শণ বীজ যুক্ত করতে হবে। এতে ওমেগা ৩ ফ্যাটিএসিড রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধি করে এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। কিছু শণ বীজ গুড়া করে একটি পাত্রে রেখে দিন। স্বাদ বৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য খাবারে শণ বীজ গুড়া ছিটিয়ে দিতে হবে।
বেরি ফল
বেরি ফলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং ভিটামিন রয়েছে। পুষ্টিসমৃদ্ধ এই ফল সারাদিন শারীরিক এবং মানসিকভাবে সক্রিয় রাখবে।
প্রোটিন বার
শরীর যখন ক্লান্ত লাগলে প্রোটিন বার চাবানো যেতে পারে। অফিস চলাকালে ঘুম ভাব হলে এটি খাওয়া যেতে পারে। এতে শরীরে শক্তি পাওয়া যায়। বিকেলের নাশতা হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। তবে বাসায় ফেরার আগ মুহূর্তে ক্ষুধার্ত অবস্থায় কখনোই খাওয়া যাবে না।
ইত্তেফাক/সালেহ্
