মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের লৌহজং টার্নিংয়ে স্পিডবোট উল্টে লাবিব হালদার (১০) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় তাহমিনা (১২)নামে আরেক শিশু নিখোঁজ রয়েছে।
জানা গেছে, ১৮ যাত্রী নিয়ে স্পিডবোটটি ঝড়ের কবলে পরে। তবে বাকি যাত্রীরা অন্য স্পিডবোটে গন্তব্যে পৌঁছেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বুধবার রাতে ঢাকার মিডফোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত লাবিব মারা যায়। সে শরিয়তপুর জেলার ফুটিকঝুড়ি এলাকার জয়নাল হালদারের পুত্র।
ঢাকার মিডফোর্ট হাসপাতালের ওর্য়াড মাস্টার মো. সাজ্জাদ হোসেন লাবিবের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে এই দুর্ঘটনায় দাদীর ও ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে থাকা তাহমিনা নিখোঁজ রয়েছে।
এই রিপোর্ট লেখার সময় তাহমিনার খোঁজে রাতে পদ্মার দুর্ঘটনাস্থল ও আশপাশ চষে বেড়াচ্ছে তার স্বজনরা। কন্যার নিখোঁজের সংবাদের পিতা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
মাওয়া ফাঁড়ির এসআই মো. নাজমুল ইসলাম জানান, বুধবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে মাঝিকান্দিগামী স্পিডবোটটি লৌহজং টার্নিংয়ে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে। সরু এই চ্যানেলে এ সময় স্পিডবোটের যাত্রীরা লাফিয়ে চরে নেমে পড়ে। এই সময় লাবিব আহত হয় এবং তাহমিনা নিখোঁজ হয়।
শীলা বৃষ্টিতে এবং ঠাণ্ডায় লাবিব এবং তার মা মিসেস জয়নাল হালদার অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ অবস্থায় তাদের শিমুলিয়া ঘাটে আনা হয় অন্য স্পিডবোটে। পুলিশ প্রথমে তাদের শ্রীনগর স্বাস্থ কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখান থেকে তাকে ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় লাবিব মারা যায়।
তার মা এখন শঙ্কামুক্ত। শিমুলিয়া ঘাট দিয়েই ছেলের লাশ নিয়ে মা ও পরিবার পরিজন শরীয়তপুরে ফিরেন।
ইত্তেফাক/নূহু
