মেহেরপুর সদর উপজেলার নুরপুরে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত চারজনই চিহ্নিত সন্ত্রাসী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে মেহেরপুর পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান নিজ কার্যালয়ে বন্দুকযুদ্ধের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রেস বিফ্রিং করেন। এসময় তিনি বলেন, 'সোনাপুর গ্রামের দুই ব্যবসায়ী হত্যার আসামি সোনাপুর গ্রামের সাদ্দাম আলী (২৬) ও রমেশ কর্মকার (২৩), পিরোজপুর গ্রামের কামরুজ্জামান কানন (২৫) ও টুঙ্গি গ্রামের সোহাগকে (২৩) ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারা জোড়া খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে অস্ত্র ও বোমার সন্ধান দেয়।'
পুলিশ সুপার জানান, তাদের তথ্যমতে সোমবার দিবাগত গভীর রাতে নুরপুর এলাকায় তাদের নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে যায় পুলিশ। এসময় তাদের সহযোগী অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি বর্ষণ করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। এসময় সাত পুলিশ আহত হন। পুলিশ হেফাজতে থাকা চার আসামি পালাতে গেলে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের গুলিতে তারা নিহত হন।
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবু এহসান রাজু জানান, রাত পণে চারটার দিকে গুলিবিদ্ধ চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। হাসপাতালে আসার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।
