দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা লিচুর গ্রাম হিসেবে পরিচিত। তবে এবার মন ভালো নেই এখানকার লিচু চাষীদের। লিচুর কুড়ি ধরার সময় চৈত্রমাসে ঝড়-শিলা বৃষ্টির আশঙ্কায় এবার আগাম লিচু বাগান কেনা ব্যাপারীরা ঝিমিয়ে রয়েছেন। কেনা বেচা কম চলছে লিচুর বাগান।
বাগান মালিকরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবার লিচুর ফলন ভাল হবে বলে আশা করছেন তারা। কৃষি বিভাগ ধারণা করছেন প্রায় দেড় কোটি টাকার লিচু বিক্রি হবে। উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের নয়াবাদ গ্রামের রাস্তার দুই ধারে লিচুর বাগানগুলোতে মুকুলের সমারোহ। গাছগুলো মুকুলের ভারে মাটিতে নুইয়ে পড়েছে।
সোমবার লিচুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বাগানগুলোতে বালাই দমনে কিটনাশাক স্প্রে করছেন। টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার লিচু ব্যবসায়ী এখানে বাগান কিনতে আসছে জানালেন লিচু চাষী হরেন্দ্র নাথ রায়। এরা বহুদিন ধরে এসব বাগানে লিচু কিনে ব্যবসা করে আসছে। ইতি মধ্যে অনেক বিক্রি হয়ে গেছে। অনেক বাগান এখনো বিক্রয় হয়নি। ব্যবসায়ীরা দেখে শুনে বাগান ক্রয় করছেন। ঢাকা সাভারের লিচু ব্যবসায়ী জালাল উদ্দীন বলেন, প্রায় ১৫ বছর থেকে এ এলাকায় লিচুর বাগান ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে থাকি।
কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু জাফর মো. সাদেক জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লিচুর ফলন ভাল হবে এবং বাগান চাষীরা ভাল দাম পাবে। কৃষি বিভাগ বাগান মালিকদের সকল প্রকার পরামর্শ ও সহযোগিতা করে আসছেন।
ইত্তেফাক/এএম
