জঙ্গিবাদমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয়

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৭, ০০:০২

আনন্দ, বেদনা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণ এবং জঙ্গিবাদমুক্ত অসাম্প্রদায়িক আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি পালন করলো মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। গতকাল রবিবার স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মদিনে এক অন্যরকম স্বস্তি, আনন্দ ও শপথে জেগে উঠেছিল আত্মনির্ভরতার প্রেরণায় উজ্জীবিত বাঙালি। সারাদেশেই নতুন প্রজন্মের অভূতপূর্ব গণজাগরণ এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবারের মহান স্বাধীনতা দিবসে। দেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে অপশক্তি-জঙ্গিবাদ রুখে দিয়ে স্বনির্ভর সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে দীপ্ত শপথে বলীয়ান হতে দেখেছে দেশবাসী। কালরাতের আঁধার পেরিয়ে আত্মপরিচয় অর্জন ও পরাধীনতার শিকল ভাঙার দিনটি বাঙালি জাতি হূদয়ের গভীরতা থেকে শ্রদ্ধার সঙ্গেই পালন করেছে নানা অনুষ্ঠানমালায়। রাস্তায় বের হওয়া মানুষের হাতে বা কপালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই লেখা সংবলিত কাপড় বাঁধা ছিল, শিশু-কিশোরদের হাতে, কারও গালে বা কপালে আঁকা ছিল রক্তস্নাত জাতীয় পতাকা, প্রিয় মাতৃভূমির মানচিত্র। তরুণ প্রজন্মের ছেলেদের গায়ে জাতীয় পতাকাসদৃশ শর্ট পাঞ্জাবি বা গেঞ্জি এবং মেয়েরা লাল-সবুজের মিশ্রণে জাতীয় পতাকার মতো শাড়ি পরে অংশ নিয়েছিল এবারের স্বাধীনতার আনন্দ-উত্সবে।

সত্যিই এক নতুন রূপে ও চেতনায় ৪৭তম স্বাধীনতা দিবস পালন করল দেশবাসী। শুধু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাধারণ মানুষই নয়, তরুণ প্রজন্মের চোখে-মুখে স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতি তীব্র ঘৃণা-ধিক্কারের বহির্প্রকাশ ঘটেছে। নতুন প্রজন্মের এমন গণজাগরণ আশাবাদী ও সাহসী করে তুলেছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষকে। শ্রদ্ধাবনত জাতি ফুলে ফুলে ভরে দেয় সাভারস্থ জাতীয় স্মৃতিসৌধ, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং টুঙ্গিপাড়ার বঙ্গবন্ধুর মাজারের বেদিমূল। সবার মধ্যে ছিল শহীদদের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা-ভালোবাসা। লাল-সবুজ পতাকা হাতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কণ্ঠেই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল, স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক দল জামায়াত নিষিদ্ধ, যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার দ্রুত শেষ করে সব রায় কার্যকর, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ, দুর্নীতি-ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন এবং রাষ্ট্রদ্রোহী অশুভ শক্তির সকল ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার দাবি উচ্চারিত হয়েছে। রাজধানী থেকে শুরু করে শহর-বন্দর-গ্রামে স্বাধীনতা দিবসের প্রতিটি কর্মসূচিতে ছিল নতুন প্রজন্মের ঢল, তাদের চোখে-মুখে ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে রাখার দীপ্ত শপথ আর স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা-ধিক্কার। ‘রুখে দাও সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদসহ একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসরদের ষড়যন্ত্র, দেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধ’ এমন স্লোগান নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রজন্মের ছিল বাঁধভাঙা স্রোত।

গতকাল প্রত্যুষে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে সূচনা হয় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানমালা। ভোর ৬টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা বিবেদন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম ও গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মুক্তিযোদ্ধাগণ, কূটনীতিকবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। এরপর রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা পরিদর্শক বইতে স্বাক্ষর করেন। প্রায় ১৫ মিনিট প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে অবস্থান করেন। পরে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, সাত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সকাল ৭টায় প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশে যোগদান করে প্রধান অতিথির ভাষণ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে দৃষ্টিনন্দন কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। বিকাল ৪টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন। বিকাল পৌনে ৫টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

এবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত লাখো মানুষের সে াত, তখন সিলেটে একটি জঙ্গি আস্তানা ঘিরে অভিযানে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাই জঙ্গিবাদ রুখতে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ করার আহ্বান ফিরে ফিরে এসেছে বিভিন্ন সংগঠনের নেতা আর সাধারণ মানুষের মুখে।

ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪৭তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এ উপলক্ষে তিনি শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ফুল-ফল ও মিষ্টি পাঠান।

সাভারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল

কালরাতের আঁধার পেরিয়ে আত্মপরিচয় অর্জনের দিন, পরাধীনতার শিকল ভাঙার দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন করছে বাংলাদেশ। গতকাল ভোর থেকেই মানুষের ঢল নামে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনকালে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন প্রমুখ।

সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম বলে আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করে স্বাধীন হয়েছি। এটাকে রক্ষা করতে হলে ঐক্যকে ধরে রাখতে হবে।’

স্মৃতিসৌধে জনতার সে াতে দেখা গেছে সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি) চিকিত্সাধীন একদল প্রতিবন্ধীকে, যাদের অনেকে হুইল চেয়ারে চেপে কিংবা কারো হাতে ভর করে আসেন স্মৃতিসৌধে। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এসে জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। মুক্তিযুদ্ধের পরের ‘সামরিক শাসন ও বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনকে’ দেশে জঙ্গিবাদ উত্থানের কারণ উল্লেখ করে তা প্রতিরোধের আহ্বান জানান ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।

সজাগ (সমাজ ও জাতি গঠন) নামক সংগঠনের কর্মীরা প্রতিবারের মতো এবারও জাতীয় পতাকা মিছিল ও লাল-সবুজ পোশাক পরে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন স্মৃতিসৌধে। এ ছাড়া জাতীয় শ্রমিক লীগসহ কয়েকটি সংগঠনকেও দেখা গেছে জাতীয় পতাকার মিছিল নিয়ে আসতে।

জাতীয় পার্টির (জেপি) শ্রদ্ধাঞ্জলি

৪৭তম মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পার্টির (জেপি) ঘোষিত ২ দিনব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিন যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল সকাল সাড়ে ৬টায় দলের কেন্দ্রীয় ও দেশের সকল দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৯টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে দলের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এ সময় জেপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, নির্বাহী সম্পাদক সাদেক সিদ্দিকী, ভাইস চেয়ারম্যান আজিজ বাঙাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদক এম সালাহউদ্দিন আহমেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু, যুগ্ম প্রচার সম্পাদক মঞ্জুর হাবিব মঞ্জু, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ বৈরাগী, যুগ্ম যুব বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন সুলতান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য সাঈদুর রহমান বকুল, যুব সংহতির সহ সভাপতি জেড-সেলিম, মানিকগঞ্জ জেলার নেতা দুলাল পাল প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণ জনারণ্য

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণ গতকাল ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিল জনারণ্য। অগুনতি মানুষ শ্রদ্ধা জানান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাগরণী দেশাত্মবোধক গান, স্লোগান আর মিছিলে মিছিলে বঙ্গবন্ধুর বাসভবন প্রাঙ্গণ দিনভর ছিল মুখরিত। হাজার হাজার মানুষ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে ঘুরে দেখেন।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম বাচ্চু ও অর্থ সম্পাদক মাসুদুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন জানান।

চট্টগ্রামে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

চট্টগ্রাম অফিস জানায়,  যথাযথ মর্যাদায় বিভিন্ন সংগঠন চট্টগ্রামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করেছে। এই উপলক্ষে দিনব্যাপী নানান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

দিনব্যাপী বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল-আলোচনা সভা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, র্যালি ও শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকালে চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। বিকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসন। গতকাল সকালে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।

ইত্তেফাক/নূহু