স্বাস্থ্যসেবার অর্জন বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৭, ০০:৫৯

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার অর্জন আজ সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। অনেক দেশ আমাদের সেবা ব্যবস্থাপনাকে মডেল হিসাবে বিবেচনা করছে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে দেশের সাত বিভাগের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকদের সাথে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্বকালে  মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকল্পে চিকিত্সকদের কর্মস্থল থাকা বাধ্যতামূলক করতে কঠোর হচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে বদলী নীতিমালা সংশোধনী এনে অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে বেতন বন্ধসহ বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলে কাজে উত্সাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থাসহ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

উপজেলা পর্যায়ে চিকিত্সকদের উপস্থিতি নজরদারিতে বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনদের তত্পর হতে নির্দেশ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের উপর দেশের গরিব মানুষের আস্থা ও ভরসা এখনো বিদ্যমান। আমাদের স্বাস্থ্যসেবার অর্জন আজ সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। অনেক দেশ আমাদের সেবা ব্যবস্থাপনাকে মডেল হিসাবে বিবেচনা করছে। জনগণের এই আস্থা ধরে রাখতে মাঠ পর্যায়ের নেতৃত্বকে শক্তিশালী হতে হবে। চিকিত্সকরা যেন হাসপাতাল থেকে মানুষকে সেবা দেন তা কঠোরভাবে মনিটরিং করার দায়িত্ব পালনে আরো সতর্ক থাকতে হবে। এজন্য আকস্মিকভাবে উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের জন্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনদের নির্দেশ দেন তিনি। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ৩৩তম বিসিএস’র মাধ্যমে ৬ হাজার চিকিত্সক নিয়োগের মাধ্যমে দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিত্সক সঙ্কটের ব্যাপারে সমাধান সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু প্রায় তিন বছর পর বর্তমানে উচ্চতর শিক্ষার জন্য উপজেলা থেকে তাদের অধিকাংশই বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে বদলি হয়ে যাচ্ছেন। ফলে মাঠ পর্যায়ে আবারো চিকিত্সক সঙ্কটের মতো পরিস্থিতির যেন সৃষ্টি না হয় সেদিকে সতর্ক থাকার জন্য পরিচালকদের নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, শীঘ্রই তিনশ’ চিকিত্সক নিয়োগ দিয়ে মাঠ পর্যায়ে পদায়ন করা হবে। সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব মোঃ সিরাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।স্বাস্থ্যসেবার অর্জন বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ইত্তেফাক রিপোর্ট২৮ মার্চ, ২০১৭ ইং
স্বাস্থ্যসেবার অর্জন বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার অর্জন আজ সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। অনেক দেশ আমাদের সেবা ব্যবস্থাপনাকে মডেল হিসাবে বিবেচনা করছে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে দেশের সাত বিভাগের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকদের সাথে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্বকালে  মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকল্পে চিকিত্সকদের কর্মস্থল থাকা বাধ্যতামূলক করতে কঠোর হচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে বদলী নীতিমালা সংশোধনী এনে অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে বেতন বন্ধসহ বিভাগীয় শাস্তির পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলে কাজে উত্সাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থাসহ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

উপজেলা পর্যায়ে চিকিত্সকদের উপস্থিতি নজরদারিতে বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনদের তত্পর হতে নির্দেশ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের উপর দেশের গরিব মানুষের আস্থা ও ভরসা এখনো বিদ্যমান। আমাদের স্বাস্থ্যসেবার অর্জন আজ সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। অনেক দেশ আমাদের সেবা ব্যবস্থাপনাকে মডেল হিসাবে বিবেচনা করছে। জনগণের এই আস্থা ধরে রাখতে মাঠ পর্যায়ের নেতৃত্বকে শক্তিশালী হতে হবে। চিকিত্সকরা যেন হাসপাতাল থেকে মানুষকে সেবা দেন তা কঠোরভাবে মনিটরিং করার দায়িত্ব পালনে আরো সতর্ক থাকতে হবে। এজন্য আকস্মিকভাবে উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের জন্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনদের নির্দেশ দেন তিনি। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ৩৩তম বিসিএস’র মাধ্যমে ৬ হাজার চিকিত্সক নিয়োগের মাধ্যমে দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিত্সক সঙ্কটের ব্যাপারে সমাধান সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু প্রায় তিন বছর পর বর্তমানে উচ্চতর শিক্ষার জন্য উপজেলা থেকে তাদের অধিকাংশই বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে বদলি হয়ে যাচ্ছেন। ফলে মাঠ পর্যায়ে আবারো চিকিত্সক সঙ্কটের মতো পরিস্থিতির যেন সৃষ্টি না হয় সেদিকে সতর্ক থাকার জন্য পরিচালকদের নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, শীঘ্রই তিনশ’ চিকিত্সক নিয়োগ দিয়ে মাঠ পর্যায়ে পদায়ন করা হবে। সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব মোঃ সিরাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/নূহু