সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়েছে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে হওয়া এক ঘটনা। সোমবার রাতে উপজেলার মনোহরপুর-খয়েরহুদা গ্রামীণ সড়কের আমতলা মাঠে গণ ছিনতাইয়ের পর একতারপুরে ডাকাতি করে ১০-১২ জনের দেশীয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। এখানে ডাকাতি করার সময় এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে এক কিশোরী মেয়েকে অপহরণ করে পালায় তারা। শেষ পর্যন্ত পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী গ্রামের ভুট্টা খেত থেকে।
আলোচিত এই ঘটনার পর এখন পর্যন্ত এই ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক জানান, খবর পেয়ে তিনি রাতেই বিপুল সংখ্যক ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন এবং গ্রেফতার ও কিশোরীকে উদ্ধারে অভিযানে নামেন। কিন্তু কিশোরীকে উদ্ধার করতে পারলেও অপরাধীরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এএসপি (সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর-খয়েরহুদা গ্রামীণ সড়কের আলোচিত আমতলা মাঠে সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে ১০ থেকে ১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রায় ২০ জনের কাছ থেকে ছিনতাই করে নেয় মোবাইল ও অর্থ। একই চক্র ছিনতাই শেষে ফেরার পথে রাত ১২টার দিকে একতারপুর গ্রামের ৪ বাড়িতে ডাকাতি করে। এ সময় ১৭ হাজার ৭৫০ টাকাসহ স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায় তারা। ডাকাতি কালে প্রতিরোধের মুখে পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতদল এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৪) অপহরণ করে নিয়ে যায়। এসময় খবর পেয়ে উথলী বিশেষ ক্যাম্পের বিজিবি সদস্য ও জীবননগর থানা পুলিশ গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারে অভিযানে নামে। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সন্তোষপুর-আন্দুলবাড়িয়া সড়কের দেহাটি পুলিশ বক্সের সন্নিকটের একটি ভুট্টা ক্ষেত হতে উদ্ধার করা হয় মেয়েটিকে।
ইত্তেফাক/রাফাত
