শ্রীবরদীতে ৯৪ বছর বয়সেও জোটেনি বয়স্ক বা বিধবা ভাতা

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০১৯, ২২:১৯

শ্রীবরদী (শেরপুর) সংবাদদাতা

শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনিয়া ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামের মৃত মন মিয়ার স্ত্রী মমিরন। জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্ম সাল  ১৯২৫ অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স ৯৪ বছর। স্থানীয়রা জানিয়েছেন বাস্তবে তার বয়স একশ বছর হবে। ঠিক কত বছর পূর্বে তার স্বামী মারা গেছেন সে হিসেব তার মনে নেই তবে অনুমান করে তিনি বললেন ২০ থেকে ২২ বছরের আগের কথা। অথচ এখনো তার কপালে জুটেনি বয়স্ক ভাতা কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড। বৃদ্ধা মমিরনের প্রশ্ন ‘আর কত বয়স হলে আমি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড পাবো? ৯০ ঊর্ধ্ব এই বৃদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, আমার দেখা মতে কত চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলো। কিন্তু আমার দিকে কেউ চেয়ে দেখলো না। তিনি আরো বলেন, আগে আমি ইউপি অফিসে গিয়েছি। কিন্তু কাজ হয়নি, তবে এখন আর তাদের কাছে যাওয়ার শারীরিক সক্ষমতা নেই।

শ্রীবরদী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সরকার নাসিমা আখতার বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে কেউ আসেনি। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে তালিকা পাঠানো হয় তার ভিত্তিতেই আমরা কার্ড সরবরাহ করে থাকি। এর বাইরেও যতি বয়স্ক ভাতা বা বিধবা ভাতার কার্ড পাওয়ার যোগ্য কেউ থাকে তাহলে আমি ব্যবস্থা করে দিবো।

বৃদ্ধার ছেলে মানিক বলেন, আমি দিনমজুরির কাজ করে যা কামাই করি তা দিয়ে আমার নিজের সংসারই চলে না, তবুও চেষ্টা করি, তবে সরকার যদি আমাদের দিকে একটু তাকায় তাহলে শেষ বয়সে অন্তত ভালো থাকবো।