পশ্চিমবঙ্গের কৃষি জমির খাজনা মওকুফ করলেন মমতা

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৭, ২০:২৬
কৃষি জমির খাজনা মওকুফ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঊর্ধ্বসীমার (ল্যান্ড সিলিং) নিচে থাকা সমস্ত কৃষি জমির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে এই খাজনা মওকুফ। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘোষণা কার্যকর হলে উপকৃত হবেন রাজ্যের বেশ কয়েক কোটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষি। 
 
সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর খড়গপুরে এক সভায় মুখ্যমন্ত্রীর এ ঘোষণা দেন। খড়গপুরে গত বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি’র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নাম না করে তার উদ্দেশে বলা হয়, ক্ষমতায় ফিরলেই কৃষি ঋণ মওকুফ করার ঘোষণা করা হয়েছিল উত্তরপ্রদেশসহ অন্যত্র। কোথায় কী! আমরা এই আর্থিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও গ্রামের ছোট ও মাঝারি কৃষকদের কথা ভেবেছি। প্রায় ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হবে। তবুও গরিব কৃষককে খাজনার ভোগান্তি থেকে মুক্ত করার পণ নিয়েছি। 
 
এদিনের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জেলার কৃষিজমির খাজনা নিয়ে এক শ্রেণির আধিকারিকের বিরুদ্ধে সাধারণ কৃষককে ভোগান্তিতে ফেলার বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ে। বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে উষ্মাও প্রকাশ করেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় কীভাবে উপকৃত হবেন সাধারণ প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষক? প্রশাসনিক সূত্রের খবর, রাজ্যে ইতিমধ্যেই জমির ঊর্ধ্বসীমার মধ্যে থাকা সেচের আওতায় চার একর এবং সেচবিহীন ছয় একর জমির জন্য কোনও খাজনা দিতে হয় না। মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের ঘোষণায় এবার থেকে ঊর্ধ্বসীমার মধ্যে থাকা সেচের আওতায় পুরো ১৬ একর এবং সেচের সুযোগ না থাকা ২৪ একর জমির জন্য আর কোনও খাজনা দিতে হবে না কৃষককে। -বর্তমান পত্রিকা।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির