ঢাকা মহানগরীতে বাংলা নববর্ষ-১৪২৪ উদযাপনের ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে ২৫টি পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে এসব পরামর্শ মেনে নববর্ষ উদযাপন করার জন্য ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ডিএমপির এক সংবাদ বিঞ্জপ্তিতে নগরবাসীকে নববর্ষের উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়, রমনা পার্কের গেট সমূহে বাতাসা ও ফুল বিতরণের মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপনে রমনায় আগত নগরবাসীকে বরণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, চারুকলা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র সরোবর, হাতিরঝিলসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বাঙালি ঐতিহ্য ধারণ করে নানা আয়োজন থাকবে।
নগরীর প্রতিটি স্থানে নববর্ষ অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্নে করতে ট্রাফিক ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
ডিএমপির পরামর্শসমূহের মধ্যে রয়েছে, ইনডোর এবং সংরক্ষিত স্থানে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে সূর্যাস্তের পরেও অনুষ্ঠান করা যাবে। কেউ মুখোশ পরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না, এমনকি মঙ্গল শোভাযাত্রায় আয়োজক সংস্থা চারুকলা ইনস্টিটিউটের সদস্যরাও মুখোশ ব্যবহার করতে পারবে না। তবে হাতে করে মুখোশ বহন করা যাবে। এবারের নববর্ষে ভুভুজেলা (বাঁশি) বিক্রয়, বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা পরামর্শসমূহ : এছাড়াও যে কোন প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নেয়ার পাশাপাশি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রমনার প্রবেশপথে তল্লাশি করার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যকে সহায়তা করার এবং শিশু/কিশোর সঙ্গে থাকলে অবশ্যই তাদের পকেটে চিরকুটে বাসার ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় মোবাইল নম্বর লিখে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে চালকের পিছনে কোন লোক বহন করা যাবে না। তবে মোটরসাইকেলের পিছনে কোন আরোহী যদি স্ত্রী/নাবালক সন্তান হয় সেক্ষেত্রে বিবেচনা করা যাবে।
বিজ্ঞপিতে আরো জানানো হয়, রমনা পার্ক ও সোহারাওয়ার্দী উদ্যানে ডিএমপির পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করার ব্যবস্থা থাকবে। বাসস
ইত্তেফাক/ইউবি
