বন্দরের ধামগড়ে ধ্বসে পড়া দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে। এ সময় নবজাতক শিশুসহ এক গৃহবধূ গুরুতর আহত হন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত গৃহবধূ ও নবজতক শিশুকে বন্দরের মদনপুর আল বারাকা হাসপতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত স্কুলছাত্রী বন্দরের কুড়িপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী লামিয়া (১২)। সে বন্দরের ধামগড়ের মালামত এলাকার মাছ বিক্রেতা মাসুমের মেয়ে। আহত গৃহবধূ মাসুমের স্ত্রী এবং নবজাতক মাসুমের ভাতিজা।
জানা গেছে, বন্দরের ধামগড় মালামত এলাকার মাসুমের স্ত্রী লিপি আক্তার (২৬) তার স্কুল পড়ুয়া কন্যা লামিয়া ও তার দেবরের ছেলে নবজাতক শিশু মিনহাজকে (৮মাস) নিয়ে বাজার থেকে বাড়ি যাচ্ছিলেন। এ সময় একই এলাকার মোস্তফা মিয়ার বাড়ির জরাজীর্ণ দেওয়াল ধ্বসে পড়ে তাদের ওপর।
এ সময় গৃহবধূ লিপি তার কোলে থাকা শিশুটিকে বাঁচাতে দূরে ছুড়ে ফেলে। এদিকে দেওয়াল ধ্বসে পড়ে তার ও তার কন্যার ওপর। দেওয়াল চাপায় তারা দুজন গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা দ্রুত এসে গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করে। এ সময় বাড়ি মালিক মোস্তফা পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ শিমরাইল মোড়ের ফুটপাট আবারও হকারদের দখলে
এলাকাবাসী দাবি করে, মোস্তফার বাড়ির দেওয়ালটি দীর্ঘদিন যাবৎ জরাজীর্ণ। দেওয়ালটিতে ফাটল ছিলো। দেওয়ালটি মেরামতের জন্য বারবার এলাকাবাসী বললেও মোস্তফা কর্ণপাত করেনি। দেওয়াল ধসে স্কুলছাত্রী নিহত হওয়ার জন্য মোস্তফাই দায়ী।
ইত্তেফাক/নূহু

